জেনে নিন রেফারেন্স লেটার কী, কীভাবে লেখা হয়

২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ১২:০৭ PM , আপডেট: ০৯ আগস্ট ২০২৫, ১০:৫০ AM
রেফারেন্স লেটার যেভাবে লিখবেন

রেফারেন্স লেটার যেভাবে লিখবেন © সংগৃহীত

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্কলারশিপ প্রাপ্তির জন্য জমা দিতে হয় ‘রেফারেন্স লেটার’ বা সুপারিশপত্র। স্কলারশিপ পাওয়ার ক্ষেত্রে এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। রেফারেন্স লেটার নিয়ে অনেকের মনেই নানা ধরনের প্রশ্ন থাকে যেমন, রেফারেন্স লেটার কী, কার কাছ থেকে রেফারেন্স নিবো, কে হবেন রেফারি, (আপনি যার রেফারেন্স দেবেন বা যিনি আপনার নাম সুপারিশ করবেন), কী লেখা থাকবে, রেফারেন্স লেটারের ধরন কেমন হবে ইত্যাদি।  

চলুন জেনে নেওয়া যাক রেফারেন্স লেটার সম্পর্কিত বিস্তারিত বিষয়সমূহ। 

রেফারেন্স লেটার বা সুপারিশ পত্র হল একটি চিঠি বা তৃতীয় পক্ষের দেওয়া ব্যক্তিগত চারিত্রিক সনদ,  যেখানে কোনও ব্যক্তি ইতিবাচক পদ্ধতিতে অন্য ব্যক্তির দক্ষতা এবং শংসাপত্রগুলি মূল্যায়ন করে থাকে। রেফারেন্স চিঠির লেখককে রেফারি বলা হয়, এবং একজন রেফারি সাধারণত একজন শিক্ষক, অধ্যাপক, সুপারভাইজার, বস, বা চিঠিতে উল্লেখ করা ব্যক্তির সাথে সংযুক্ত যে কেউ। বাহিরের দেশে স্কলারশিপ পাওয়ার ক্ষেত্রে অথবা চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অভিজ্ঞতার মতোই রেফারেন্স সমান গুরুত্বপূর্ণ।

রেফারেন্স লেটারে কী লেখা থাকে?
রেফারেন্স লেটারে আপনার নিজের সম্পর্কে সবকিছু উল্লেখ করতে হবে। আপনার ভালো দিকগুলোর পাশাপাশি  সীমাবদ্ধতার জায়গাও উল্লেখ রাখতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে একটি কৌশল অবলম্বন করা যায়। কখনো কখনো খারাপ দিকের মধ্যেও একটা ভালো দিক লুকিয়ে থাকে। যেমন ধরুন, রেফারি লিখলেন: ‘ওর সবই ভালো, কিন্তু কাজের বেলায় ও খুব খুঁতখুঁতে। তাই কাজ শেষ হতে দেরি হয়,’ কিংবা ‘ও জয়ের নেশায় এতই মশগুল যে পরাজয় মানতে পারে না’—এ ধরনের বাক্যে কিন্তু আদতে আপনার প্রশংসাই করা হচ্ছে!

Where and How Research is Conducted - Alpha Kappa Psi

রেফারেন্স লেটারের চারটি অংশে লিখতে হবে। প্রথম অংশ হলো রেফারি আপনাকে কীভাবে চেনেন? তিনি যদি আপনার শিক্ষক হন, তাহলে যোগ হতে পারে কেন আপনার কথা তাঁর মনে আছে, এত ছাত্রছাত্রীর মধ্যে আপনি আলাদা কেন? তিনি আপনাকে কত দিন ধরে চেনেন? এ রকম কিছু দিয়ে শুরু করার পর আপনার ভালো দিকগুলো স্পষ্ট ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে হবে। এখানে আপনার দক্ষতার দিকগুলো ছাড়াও অন্যান্য সহশিক্ষামূলক কার্যক্রমের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। রিসার্চ কোর্সে আবেদন করলে অবশ্যই এই অংশে আপনার গবেষণা নিয়ে দু–একটা বাক্য থাকা দরকার। পরের অংশে আপনার দু–একটি দুর্বলতার জায়গা (ইতিবাচকভাবে) উল্লেখ করা যেতে পারে। আর সবশেষে তিনি জোরালোভাবে উল্লিখিত পদ/বিষয়/প্রোগ্রামের জন্য আপনার নাম সুপারিশ করবেন।

আরও পড়ুন: কানাডার ভিজিট ভিসা পেতে যা জানা দরকার, আবেদন যেভাবে

কীভাবে জমা দেবেন 
এই বিষয়টি নির্ভর করে  বিশ্ববিদ্যালয় অথবা স্কলারশিপ কমিটির সিদ্ধান্তের ওপর। আপনাকে তাদের চাহিদা মত ফরমটে   নির্ধারিত নিয়মে রেফারেন্স লেটার জমা দিতে হবে।এ ক্ষেত্রে আপনাকে রেফারেন্স লেটারটি  আগে থেকেই স্বাক্ষরসহ স্ক্যান করে রাখতে হবে।

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় বা স্কলারশিপ কমিটি নিজেরাই আপনার রেফারির সঙ্গে যোগাযোগ করে রেফারেন্স লেটার চেয়ে নেবে। এ ক্ষেত্রে আপনি আবেদনের সময় শুধু রেফারির নাম, পদবি, ই–মেইল ও ফোন নম্বর উল্লেখ করবেন।

ক্যালকুলেটরে ‘মাপজোক’ করে ঘুষ চাইলেন কর্মকর্তা
  • ২২ জুন ২০২৬
উচ্চশিক্ষা শেষে চাকরির সুযোগে বড় পরিবর্তন, নতুন নীতি আনছে ন…
  • ২২ জুন ২০২৬
ক্যালকুলেটরে ‘মাপজোক’ করে ঘুষ চাইলেন সরকারি কর্মকর্তা
  • ২২ জুন ২০২৬
ক্যালকুলেটরে ‘মাপজোক’ করে ঘুষ চাইলেন কর্মকর্তা
  • ২২ জুন ২০২৬
ইউনিসেফের মাধ্যমে ১১ কোটি টাকার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল কিনছে …
  • ২২ জুন ২০২৬
দেশজুড়ে ভারী বর্ষণে পাকিস্তানে বন্যার সতর্ককতা জারি
  • ২২ জুন ২০২৬