ক্ষোভ ঝাড়লেন অধ্যক্ষ আজীজি
অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজি © টিডিসি সম্পাদিত
এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান (অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক) হতে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজীজি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান জাতীয় সংসদের সদস্য (সাংসদ) হতে কোনো অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না। অথচ মর্যাদার দিক থেকে অনেক কম গুরুত্বপূর্ণ একটি এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হতে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা চাওয়া হচ্ছে, যা যুক্তিসঙ্গত নয়।
তিনি আরও বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য ১০ থেকে ১২ বছরের অভিজ্ঞতাই যথেষ্ট। অতিরিক্ত দীর্ঘ অভিজ্ঞতার শর্ত আরোপ করলে অনেক যোগ্য ও তরুণ শিক্ষক নেতৃত্বের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজি তার স্ট্যাটাসে আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে যদি রাজনৈতিক বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে তা শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য কোনো কল্যাণ বয়ে আনবে না। এজন্য তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।
তথ্যমতে, বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রধান, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপার নিয়োগে শিক্ষাকতার অভিজ্ঞতা ১৮ বছর করে নীতিমালা সংশোধন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যদিও তা আগে ১৫ বছর কথা ছিল। এতে আগের আবেদন বাতিল করে নতুন করে আবেদন গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে পরীক্ষা আয়োজক কমিটি। আগামী ১৫ মার্চ থেকে নতুন করে আবেদনগ্রহণ শুরু হতে পারে বলে জানা গেছে।
বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন শিক্ষকদের বড় একটি অংশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ছাড়াও নানাভাবে নিজেদের ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তারা।