যুক্তরাষ্ট্রে ফিল্ম এওয়ার্ড পাওয়ার দৌড়ে বাংলাদেশের ডকুমেন্টারি

০৯ জুন ২০২১, ০৯:১৭ AM
নিউইয়র্ক ফেস্টিভালস টিভি এন্ড ফিল্ম এওয়ার্ড

নিউইয়র্ক ফেস্টিভালস টিভি এন্ড ফিল্ম এওয়ার্ড © সংগৃহীত

বাংলাদেশি নির্মাতাদের তৈরি একটি ডকুমেন্টারি ‘নিউইয়র্ক ফেস্টিভালস টিভি এন্ড ফিল্ম এওয়ার্ড’-এর জন্য চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছে। ফেস্টিভালের ‘হিরোজ’ শাখায় এটি মনোনয়ন পেয়েছে। বুধবার সকালে ডকুমেন্টারির নির্মাতা ও প্রযোজক আসিফ ইন্তাজ রবি এক ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি জানিয়েছেন।

বেনার নিউজের অধীনে নির্মিত সোয়া তিন মিনিটের ছোট্ট এই ডকুমেন্টারির বিষয়বস্তু হচ্ছে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের একটি অভূতপূর্ব অর্জন।

আরো পড়ুন ফেসবুকে যোগ দিলেন বাংলাদেশের মুন

আসিফ ইন্তাজ রবি তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আজ আমাদের জন্য একটি বিশাল আনন্দের দিন। গত বছর করোনার সময়ে আমরা একটি ছোট্ট ডকুমেন্টারি বানিয়েছিলাম। সোয়া তিন মিনিটের ছোট্ট একটা ফিল্ম। এই ফিল্ম নিউইয়র্ক ফেস্টিভালস টিভি এন্ড ফিল্ম এওয়ার্ড (NewYork Festivals TV & Film Awards) -এ ফাইনালিস্ট হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছে।

আমাদের সংবাদ সংস্থার জন্য, গোটা বাংলাদেশের জন্য এটি অসামান্য আনন্দের সংবাদ। কেননা ফিল্মের বিষয়বস্তু হচ্ছে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের একটি অভূতপূর্ব অর্জন।

তিনি লিখেছেন, করোনার সময় বাংলাদেশের কয়েকজন ভলান্টিয়ার সারা বিশ্বকে চমকে দেয়ার মতো কাজ করেছেন। করোনায় মৃত লোকজনদের যখন তাদের স্বীয় আত্মীয়রা ফেলে রেখে দূরে সরে গিয়েছিলেন, এইসব ভলান্টিয়ারগণ সেইসব মৃতদেহ নিজ উদ্যোগে সংগ্রহ করে তাদের দাফন কাফনের ব্যবস্থা করেছেন। সিলেটের এক মুসলমান তরুণ ভলান্টিয়ার হিন্দুদের সৎকারও করেছেন নিজ হাতে।

আমার ধারণা, বিশ্বের বাঘা বাঘা জুরিরা এই ফিল্মের সাবজেক্ট দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। যে কারণে নানান টেকনিক্যাল দূর্বলতা সত্ত্বেও এই ফিল্মটি সন্মানজনক মনোনয়ন পেয়েছে। আমি এই ফিল্মের নির্মাতা বা প্রোডিউসার হিসেবে গর্বিত, গর্বিত একজন বাংলাদেশি হিসেবেও।

করোনার মর্মান্তিক ঘটনা লেখা থাকবে ইতিহাসের পাতায়। সেই ইতিহাসে থাকবে দুঃখ ও বেদনার কথা। এর পাশাপাশি বাংলাদেশের সাধারণ কিছু স্বেচ্ছাসেবকের এই দুরন্ত কাজের কথাও সন্মানের সাথে লিখিত থাকবে। এই ফিল্ম তারই প্রমাণ। ফেস্টিভালের যে শাখায় এটি মনোনয়ন পেয়েছে, সেই শাখার নাম : Heroes.

বেনার নিউজের সকল সতীর্থদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। কৃতজ্ঞতা আমার বস, আমাদের ম্যানেজিং এডিটর কেট বেডালকে। শরীফ খিয়াম ইয়নকে অভিনন্দন দূর্লভ ফুটেজগুলো সংগ্রহ করার জন্য। আর দেশের সকল মানুষকে কৃতজ্ঞতা এত বড় মহামারির সময় ঢাল এবং তলোয়ার ছাড়াও যে সাহসী ভূমিকা তারা নিয়েছে, সেটার জন্য। ইতিহাস অবশ্যই তাদেরকে মনে রাখবে।’

ডকুমেন্টারি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

৩৬ জুলাই স্মরণে ইবি ছাত্রদলের ৩৬টি গাছের চারা রোপণ
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
বাবাকে মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে বিসিএসে আবেদন, চূড়ান্ত হয়েও বাতি…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
৩৬ জুলাই স্মরণে ইবি শিক্ষার্থীর ৩৬ কিলোমিটার ম্যারাথন
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি নিয়োগ দেবে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী,…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
ডকুমেন্টারিতে ‘এক দফার ঘোষক’ ইস্যুতে প্রতিবাদ, মাহিন সরকারক…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬
আমাদের মধ্যে বিভেদ তৈরি হলেই ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে…
  • ০৫ আগস্ট ২০২৬