বিশ্বব্যাংকের হেকেপ (হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্ট) প্রকল্পের টাকায় কেনা জেনারেটরটি চালু করা যাচ্ছে না। ১ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহারহীন পড়ে আছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরীর বারান্দায়। এটি কেনা হয়েছিল লাইব্রেরীর জন্য। তবে জেনারেটরটি চালু করতে সমস্যা হলে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ এনে চালু করার কথা জানালেন রাবি প্রশাসন।
জেনারেটরটির চালু করা নিয়ে এখনও অন্ধকারে লাইব্রেরি প্রশাসন। তাদের দাবি নষ্ট নয় তবে চালু করা যাচ্ছে না সেটি। কোন কাগজ-পত্রও নেই তাদের হাতে।
লাইব্রেরির বারান্দায় থাকা ওই জেনারেটরের গায়ে লেখা ফিচার প্লেটের তথ্য অনুসারে এটি ‘পাওয়ার এসি’ কোম্পানীর। যার পিআরএস ৩০ কেভিএ। ৪০০ ভোল্টেজের এই ডিজেল জেনারেটরটি মূল্য জানেন না বর্তমান লাইব্রেরী প্রশাসকও।
কত মূল্য হতে পারে জেনারেটরটি সে বিষয়ে মুখ খুলছেন না কেউ। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ করেন এমন এক মার্কেটিং এক্সিকিউটিভের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এই মডেলের একটি জেনারেটর যুক্তরাজ্য বা অন্য কোন ওয়েস্টার্ন মডেলের জেনারেটরের দাম প্রায় ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা। তবে চায়না ব্রান্ডের হলে তাহলে তার দামও হবে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার সমান।
লাইব্রেরীর সহকারি রেজিস্ট্রার গোলাম কাওসার বলেন, ‘একবছরের বেশি সময় ধরে পড়ে থাকা এ জেনারেটর নিয়ে প্রশাসন দ্বিধা দ্বন্দ্বে আছে আসলে ব্যবহার করা যাবে কিনা। কয়েকদিন আগে প্রধান প্রকৌশলী, উপ-উপাচার্য, আইসিটি সেন্টারের পরিচালক জেনারেটরটি পরিদর্শন করে গেছেন।’
কেনো ব্যবহার করা হচ্ছে না, আর বাইরে খোলা জায়গাতে রাখার কারণ কী- এমন প্রশ্নের উত্তরে লাইব্রেরী প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র শীল বলেন, হেকেপ প্রকল্পের আওতায় জেনারেটরটির কোনো কাগজপত্র আমাদের হাতে নেই। আমরা সেটা চালু করতে পারছি না। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচাযের্র নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেখানে আমাকেও রাখা হয়েছে। আমরা ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশনকে দায়িত্ব দিয়েছি কিভাবে জেনারেটরটি চালু করা যায়।
তিনি আরও বলেন, যদি আমরা চালু করতে না পারি তাহলে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ এনে জেনারেটরটি চালু করতে হবে।