ডাকসু নেতাদের ওপর হামলার প্রতিবাদে জকসুর বিক্ষোভ © টিডিসি ফটো
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) নেতাদের ওপর ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) রাত পৌসে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শান্ত চত্বর থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাস ও বাহাদুর শাহ পার্ক প্রদক্ষিণ করে মূল ফটকে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এসময় শিক্ষার্থীরা ‘ডাকসু নেতা আহত কেন, তারেক রহমান জবাব দে, শিক্ষা সন্ত্রাস,একসাথে চলে না, ছাত্রদলের সন্ত্রাস, রুখে দাও ছাত্রসমাজ, সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
মিছিলে অংশগ্রহণকারী ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী শাহাদাত হোসাইন বলেন, ‘থানার ভেতরে এরকম মব করে হামলার ছাত্রদলের হামলার ঘটনাটি একদমই নিন্দনীয়। প্রশাসনের নিরবতা আমাদেরকে হতাশ করেছে, এ ঘটনাং আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছিা’
মিছিল পরবর্তী সমাবেশে জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘ডাকসু নেতৃবৃন্দেরর ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা সরকার ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী ছাত্রদলকে বলতে চাই, আপনারা সোজা হয়ে যান, নাহলে জনগণ ও শিক্ষার্থীরা আপনাদেরকে উচিত জবাব দিবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার তেল সংকট, লোডশেডিংসহ নানা অব্যবস্থাপনা ঢাকতে পরিকল্পিতভাবে ক্যাম্পাসগুলোর পরিস্থিতি উত্তপ্ত করতে চাচ্ছে।’
জকসু এজিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, ‘আমরা দেখতে পাচ্ছি নব্য ফ্যাসিস্টরা মাথাচাড়া দিচ্ছে। আপনারা হাসিনার থেকে শিক্ষাগ্রহণ করুন, যাতে করে তাদের মতো পরিস্থিতি ভোগ করতে না হয়। জুলাইয়ে এবি জুবায়ের ও মোসাদ্দিক আলী ইবনে মুহাম্মদের অবদান সীমাহীন, তাদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
জকসু এজিএস মাসুদ রানা বলেন, ‘যাদের ওপর হামলা করা হয়েছে তারা আমাদের জুলাইয়ের সহযোদ্ধা। তাদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা করে ছাত্রদল ছাত্রলীগ হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। এই সরকারকে আমরা আল্টিমেটাম দিচ্ছি, অতিদ্রুত এর বিচার করুন। নাহলে শেখ হাসিনার মতো পরিণতি ভোগ করার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করুন।’
উলেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায় রাজধানীর শাহবাগ থানার ভেতরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়ের এবং সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মুহাম্মদসহ আরও ডাকসু নেতাসহ সাংবাদিকদের ওপর হামলার করেন ছাত্রদল নেতাকর্মীরা।