সোনার সন্তান তৈরিতে উপযুক্ত পরিবেশ প্রয়োজন: যবিপ্রবি উপাচার্য

০৭ মে ২০১৯, ০৮:১০ PM
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছেন বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার আকুল আবেদন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে সোনার সন্তান তৈরির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ দিতে হবে। আপনার কাছে অনুরোধ, সোনার সন্তান তৈরির জন্য বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যে পরিবেশ, সেই পরিবেশ আমাদের তৈরি করে দিন।

মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবনের গ্যালারিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যাগ্রো প্রডাক্ট প্রসেসিং টেকনোলজি (এপিপিটি) বিভাগ আয়োজিত নবীন বরণ, ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন এসব কথা বলেন।

অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, উপযুক্ত পরিবেশ পেলেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা যোগ্য ও আলোকিত মানুষ হয়ে বের হবে। তারপর তারা এ দেশকে সোনার বাংলায় রূপান্তর করবে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সোনার সন্তান তৈরির করার জন্য আপনার যে মনের বাঞ্চনা, এটা আমরা জানি। তাই আপনার কাছে আকুল আবেদন, আমরা যেন সোনার সন্তান তৈরি করতে পারি, আমার বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে সেই পরিবেশ করে দিন। যেই সোনার সন্তানেরা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা তৈরিতে নিজেকে আত্মনিয়োগ করবে।’

অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আরও বলেন, ‘আমি সাহসী সন্তানের পিতা হতে চাই। ভীরু, মেরুদন্ডহীন সন্তানের পিতা হতে চাই না। তোমরা স্বাধীন চিন্তা-চেতনা নিয়ে চলাচল করবে। নাচ-গাইবে, ডিবেট করবে, প্রজাপতি মতো উড়ে বেড়াবে। কেউ তোমাদের বাধা দিতে পারবে না। আমি তোমাদের পাশে আছি।’

তিনি শিক্ষার্থীদের সাহস যুগীয়ে বলেন, ‘আর কেউ যদি আমার সন্তানের হায়ে হাত দেয়, ভয় দেখানোর চেষ্টা করে তাহলে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক হিসেবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। এ জন্য আমি সকলের সাহায্য সহযোগিতা কামনা করছি।’

এপিপিটি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মৃত্যুঞ্জয় বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন্স কমিটির আহ্বায়ক ড. মো. ওমর ফারুক, শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল কবীর জাহিদ, শহীদ মসিয়ূর রহমান হলের প্রভোস্ট প্রকৌশলী ড. মো. আমজাদ হোসেন, পরিকল্পনা উন্নয়ন ও পূর্ত দপ্তরের পরিচালক পরিতোষ কুমার বিশ্বাস, প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা দীপক কুমার মন্ডল, এপিপিটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এস এম সামিউল আলম, এপিপিটির বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল হোসেন, বিক্রমজিৎ বিশ্বাস, তামান্না নাজনীন প্রমুখ।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এপিপিটির বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শফি আহমেদ, প্রভাষক আশীষ কুমার দাস, ফারজানা ইয়াছমিন, মো. সুমন রানা। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী মৌমিতা দাস। এরপর বিকেলে আয়োজন করা হয় ইফতার ও দোয়া মাহফিল।

ড্যাফোডিলের অধ্যাপক ড. এম এ রহিম পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
ইকরার সঙ্গে ৪৪ ব্যক্তিগত চ্যাট প্রকাশ করলেন তিথি
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
দুঃখ প্রকাশ হাসনাত আব্দুল্লাহর
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
ছাত্রদলের গণ ইফতার: খাবার না পেয়ে ফিরে গেলেন শিক্ষার্থীরা
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
স্কলারশিপ নিয়ে পড়ুন দক্ষিণ কোরিয়ায়, আবেদন স্নাতকোত্তর-পিএই…
  • ০৫ মার্চ ২০২৬
ছক্কার রেকর্ড গড়ে ইংল্যান্ডকে বিশাল লক্ষ্য দিল ভারত
  • ০৫ মার্চ ২০২৬