জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ © টিডিসি সম্পাদিত
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেছেন, একাত্তর আমাদের গৌরবের জায়গা, এটাকে ঠিক রেখেই সবকিছু সংস্কার করতে হবে। একাত্তরকে বাইপাস করে সংস্কারের নামে পরিবর্তন করতে গেলে জাতি হিসেবে সফল হওয়া সম্ভব হবে না। জুলাই আমাদেরকে একটি সুযোগ দিয়েছে জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে বাঁচার। একাত্তর-জুলাই’২৪ কে নিয়েই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) সকাল ১১টায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে অ্যাকাডেমিক কমিটি (আর্টস) আয়োজিত ‘গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সংবিধান সংস্কার: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন অ্যাকাডেমিক কমিটি (আর্টস)-এর চেয়ারম্যান ড. সৈয়দ হাদিউজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর মো. লুৎফর রহমান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম। মুখ্য আলোচক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের ডিন, সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. একরামুল হক।
উপাচার্য প্রফেসর আমানুল্লাহ আরও বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে টিকে থাকতে হলে আমাদেরকে উপযোগী হতে হবে। অন্যথায় কাঙ্ক্ষিত সাফল্য অর্জন সম্ভব হবে না। কঠিন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নেয়া সংস্কার কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়েছে।
মুখ্য আলোচক অধ্যাপক ড. একরামুল হক বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরে সংবিধানকে গণমুখী ও যুগোপযোগী করার সুযোগ এসেছে। জুলাই অভ্যুত্থান সেই সুযোগ এনে দিয়েছে, যা অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে।
সেমিনারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, রেজিস্ট্রার, শিক্ষক, বিভাগীয় প্রধান, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।