উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির প্রতিনিধিরা © টিডিসি ফটো
বিতর্ক একটি জ্ঞান নির্ভর আন্দোলন। এ আন্দোলন মেধাকে বিকশিত করে, শিক্ষার্থীকে যৌক্তিক বিবেকবোধ সম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়তা করে। বিতার্কিকরা দেশের সম্পদ। কারণ জ্ঞানের নানান দিক নিয়ে গবেষণা করে তারা জ্ঞান-সমৃদ্ধ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় উপাচার্য দপ্তরের সভা কক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির (সিইউডিএস) নবগঠিত ২০তম কার্যকরী পরিষদের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সাক্ষাত এবং মতবিনিময় সভায় উপাচার্য এসব কথা বলেন। সিইউডিএস নেতৃবৃন্দ এ সময় উপাচার্যকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিইউডিএসর মডারেটর ও চবি আইন অনুষদের ডিন প্রফেসর এ বি এম আবু নোমান।
উপাচার্য সিইউডিএসর নবগঠিত কার্যকরী পরিষদের নেতৃবৃন্দকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান কাজই হল গবেষণার মাধ্যমে জ্ঞান সৃজন করা। বিতার্কিকরা তাদের কাজের মাধ্যমে আলোর সন্ধান করছে। এ ধরণের জ্ঞানসমৃদ্ধ কর্মযজ্ঞকে আমি নিজেও ধারণ করি। তিনি বলেন, যৌক্তিক ও বিবেকবোধ সম্পন্ন নাগরিক তৈরির লক্ষ্যে ‘বিতর্ক আন্দোলন’কে শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে সিইউডিএস।
তিনি বলেন, সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তঃবিভাগ বিতর্ক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তৈরী করেছে অসংখ্য সমৃদ্ধ বিতার্কিক। যারা তাদের সমৃদ্ধ উচ্চারণ, উপস্থাপনা, ভাষাশৈলী, যুক্তি উপস্থাপন, ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ এবং তত্ত্ব ও তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে দেশ-বিদেশে সুনামের সঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্ব করেছে। অর্জন করেছে সেরা হওয়ার গৌরব। উপাচার্য সিইউডিএস নেতৃবৃন্দকে বিতর্কের কলাকৌশলগুলোকে আরো সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিইউডিএস’র ২০ তম নতুন কার্যকরী কমিটির সভাপতি হিমাদ্রি শেখর নাথ, সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফ হোসেন সুজন, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী তৌফিকা ইসলাম, অর্থ সম্পাদক আদনান বিন আকতার চৌধুরী প্রমুখ।
সিইউডিএস নেতৃবৃন্দ এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতারের সঙ্গে তাঁর অফিস কক্ষে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।