মানুষের কাছে স্বল্পমূল্যে খেজুর পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীর

১১ মার্চ ২০২৫, ০৭:২৪ AM , আপডেট: ০৬ জুলাই ২০২৫, ১২:৫০ PM

রমজান মাসে দেশীয় বাজারে দ্রব্যমূল্যে অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। পৃথিবীর অন্যান্য মুসলিম দেশে রমজানে ব্যবসায়ীদের কম মুনাফা লাভের প্রবণতা দেখা গেলেও বাংলাদেশে ঠিক বিপরীত বিপরীত অবস্থা লক্ষ্য করা যায়। এ বছর সরকার খেজুরে আমদানি শুল্ককর হ্রাস করলেও সেই অনুযায়ী বাজারে দাম কমেনি। খেজুরের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় মিলছে না স্বল্পমূল্যের খেজুর। 

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মানুষের মাঝে সুলভ মূল্যে খেজুর পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমেদ। তিনি ২১-২২ সেশনের অর্থনীতি বিভাগ পড়াশোনা করছেন। এই উদ্যোগে জুবায়েরের সহযোগী ঢাকা কলেজ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের আরেক শিক্ষার্থী অনিক। দুই বন্ধু মিলে যৌথভাবে সাধারণ মানুষের কাছে স্বল্পমূল্যে খেজুর পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

জুবায়ের রমজান মাসে প্রতিদিন দুপুর ২ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কুয়েত মৈত্রী হলের সামনে ভ্রাম্যমাণ দোকানে খেজুর বিক্রি করেন। প্রচলিত বর্তমান বাজারের মূল্য থেকে ৬০-২০০ টাকা পর্যন্ত কম দামে তারা খেজুর বিক্রি করছেন। জিহাদী ও মেডজুয়েল খেজুর বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা ও ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। অন্যদিকে নতুন এই উদ্যোক্তা কেজিতে ২২০ টাকা এবং ৬০০ টাকায় খেজুর বিক্রি করছেন।

পড়ালেখার পাশাপাশি জুবায়েরের রয়েছে নীল ক্ষেতে ফুটপাতে ভ্রাম্যমাণ বইয়ের দোকান। সেখানে সপ্তাহে কয়েকদিন পড়ুয়াদের কাছে বই বিক্রি করেন। তিনি অর্থনীতি বিভাগের জ্ঞানকে অধ্যয়নের পাশাপাশি বাস্তবে প্রয়োগের জন্য উদ্যোক্তা হতে চান। 

রমজানে স্বল্পমূল্যে খেজুর বিক্রির উদ্যোগের বিষয়ে জুবায়ের আহমেদ বলেন, রমজানের আগে ভাবছিলাম বইয়ের ব্যবসার পাশাপাশি নতুন করে কি শুরু করা যায়, তারপর ভাবলাম রমজান উপলক্ষ্যে খেজুরের ব্যবসা শুরু করলে সবচেয়ে ভালো হয়। কারণ রমজানে দেশে খেজুরের চাহিদা খুবই বেশি থাকে,এবং দাম থাকে অনেক বাড়তি। আমার লক্ষ ছিলো কীভাবে সুলভ মূ‌ল্যে ক্রেতাদের কাছে খেজুর পৌঁছে দেওয়া যায়। এই বিবেচনা থেকেই আমি খেজুরের ব্যবসা শুরু করেছি এবং খুবই ভালো সাড়া পাচ্ছি ক্রেতাদের কাছ থেকে।

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আমি মূলত খেজুর ক্রয় করি বাদামতলী থেকে। আমার বর্তমানে ক্রয় বিক্রয় খুব ভালো যাচ্ছে। কমদামে খেজুর বিক্রি করায় মানুষের অনেক দোয়া পাচ্ছি। যখন মানুষ দোয়া দেয় তখন মনে হয় আমি ব্যবসায় সফল।এই বিষয়টিতে আমার খুব ভালো লাগা কাজ করে। প্রথম রমজানে আমি বিক্রি করেছিলাম হাফ কেজি। তবে দ্বিতীয় দিনে ২০ কেজি এরপর তৃতীয় দিন ৩০ কেজি এভাবে এখন কম দামে বিক্রি করায় প্রতিদিন পূর্বের থেকে বেশি বেশি  বিক্রি হচ্ছে।

শাবিপ্রবিতে র‍্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বহাল
  • ০৮ জুন ২০২৬
ইন্টার্নদের নবম গ্রেডের বেসিক, ট্রেইনিদের প্রতি মাসে ভাতাসহ…
  • ০৮ জুন ২০২৬
পাবলিক পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে শিক্ষকদের অনীহা বাড়ছে যেসব ক…
  • ০৮ জুন ২০২৬
৭ ব্যাংকে বন্দী শিক্ষকদের অবসরের টাকা
  • ০৮ জুন ২০২৬
২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে ৫ রোমাঞ্চকর তথ্য, যা ইতিহাসে এবারই প্রথম…
  • ০৮ জুন ২০২৬
বিএনপি সরকারের প্রথম নারী ভিসি হলেন ঢাবি অধ্যাপক তাহমিনা
  • ০৮ জুন ২০২৬