আগের মতোই থাকছে ঢাকা-তিতুমীর-ইডেনসহ ৭ কলেজ

২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:১২ PM , আপডেট: ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৪ PM
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি © টিডিসি ফটো

ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজসহ রাজধানীর সাত সরকারি কলেজ আগের নাম ও পরিচয় বজায় রেখেই পরিচালিত হবে। এসব কলেজকে একীভূত একাডেমিক কাঠামোর আওতায় আনতে প্রণীত ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬’ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদন পেয়েছে। এখন থেকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের পাশাপাশি এমফিল-পিএইচডির সুযোগ থাকছে বলেও জানানো হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজকে একটি সমন্বিত একাডেমিক কাঠামোর আওতায় এনে উচ্চশিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা নিরসনই এ অধ্যাদেশের মূল লক্ষ্য।

নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, সরকারি বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ ‘সংযুক্ত কলেজ’ হিসেবে পরিচালিত হবে। তবে কলেজগুলোর নিজস্ব নাম, অবকাঠামো এবং স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ওপর অধিকার অক্ষুণ্ণ থাকবে।

অধ্যাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য পূর্ণাঙ্গ প্রশাসনিক কাঠামো রাখা হয়েছে। এর মধ্যে আচার্য, উপাচার্য, সিনেট, সিন্ডিকেট ও একাডেমিক কাউন্সিল থাকবে। রাষ্ট্রপতি আচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং সিনেট মনোনীত প্যানেল থেকে উপাচার্য নিয়োগ দেবেন। শিক্ষা, পরীক্ষা, গবেষণা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব থাকবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) হাতে।

কলা, বিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা, আইন ও চারুকলাসহ বিভিন্ন ডিসিপ্লিনে পৃথক স্কুল থাকবে, যার নেতৃত্ব দেবেন ‘হেড অব স্কুল’। সংযুক্ত কলেজগুলোতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাঠদান, পরীক্ষা ও মূল্যায়ন অভিন্ন সময়সূচি ও কাঠামোর আওতায় পরিচালিত হবে।

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল এবং কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা মূল ক্যাম্পাস বা সংযুক্ত কলেজে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পাবে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয়ভাবে এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু, শিক্ষক উন্নয়ন এবং উচ্চতর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

অধ্যাদেশে আবাসিক হল সুবিধা, ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রম চালুর বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের পরিকল্পনা রাখা হয়েছে। স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মিত না হওয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে কার্যক্রম পরিচালনার ব্যবস্থাও থাকবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ মনে করছে, এই সিদ্ধান্ত সাত কলেজের দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক সংকট নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে এবং রাজধানীতে একটি আধুনিক, সমন্বিত ও গবেষণাভিত্তিক উচ্চশিক্ষা পরিবেশ গড়ে তুলবে। অধ্যাদেশ অনুমোদনের মাধ্যমে ঢাকার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

বিশ্বকাপ ইস্যুতে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা বিসিবি সভাপতির
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
নতুন পোশাকে ফ্যাসিবাদ আসলে পরিণতি ৫ আগস্টের মতো হবে: জামায়া…
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
মওলানা ভাসানীর মাজার জিয়ারতের মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা …
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
দেশকে বাঁচাতে হলে ধানের শীষে ভোট দিতে হবে
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
আইসিসির সমালোচনায় বিসিবি সভাপতি বুলবুল
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬
প্রতীকসহ ৩০০ আসনের প্রার্থী তালিকা দেখুন এখানে
  • ২২ জানুয়ারি ২০২৬