সড়ক ছেড়ে ক্লাসে তিতুমীরের শিক্ষার্থীরা

০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০১:৪৩ PM , আপডেট: ১০ জুলাই ২০২৫, ০৫:২২ PM

© সংগৃহীত

বর্তমানে আন্দোলনের শহর ঢাকা। আজ এক সড়ক বন্ধ করে আন্দোলন হচ্ছে, তো কাল আরেক সড়ক বন্ধ করে আন্দোলন। এতে ভোগান্তি পড়ছে ঢাকাবাসী। বেশ কিছুদিন দাবি আদায়ে সড়ক বন্ধ করে আন্দোলনে ছিলেন তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী। সরকারের ‘আশ্বাস’ পেয়ে আন্দোলন স্থগিত করে এক সপ্তাহ পর শ্রেণিকক্ষে ফিরেছে ঢাকার সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা। 

শিক্ষার্থীরা কর্মসূচি স্থগিত করে শ্রেণিকক্ষে ফেরায় মহাখালী থেকে গুলশানগামী রাস্তায় যান চলাচল এখন স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সাতদিন পর আশ্বাসের দৃশ্যমান অগ্রগতি না দেখা গেলে ফের আন্দোলনের ঘোষণা দিয়ে রেখেছে তারা। 

মঙ্গলবার সকাল পৌনে ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ক্লাস চলে। এরপর সাড়ে ১২টা থেকে তৃতীয় বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা চলবে। আন্দোলনকারীদের নেতা নূর মোহাম্মদ সংবাদমাধ্যমকে বলেন,‘আপাতত সাতদিন কর্মসূচি স্থগিত থাকবে। এ সময়ে ক্লাস-পরীক্ষা সবই চলবে। সরকারের দৃশ্যমান সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করে পরবর্তীতে কর্মসূচি দেওয়া হবে।’

তিতুমীরকে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণাসহ সাত দাবিতে গত মঙ্গলবার থেকে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে কর্মসূচি শুরু করছিলেন এ কলেজের শিক্ষার্থীরা। পরদিন বিকালে শুরু হয় অনশন। গতকাল সোমবার শিক্ষার্থীদের অনশন ভাঙিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির আশ্বাস দেওয়া হলেও প্রতিষ্ঠানটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের কোনো সুস্পষ্ট আশ্বাস দেওয়া হয়নি।

ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী রফিকুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষে ফিরলেও তুলনামূলকভাবে উপস্থিতি কম। প্রথম ছিল তো তাই। পরে হয়ত বাড়বে। দাবি পূরণ না হলে সমন্বয়করা হয়ত নতুন কোনো কর্মসূচি দেবে, সেটার সঙ্গে আমাদের একাত্মতা থাকবে। এই সাত কলেজ নিয়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কথা ভাবছে সরকার। তবে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা চাইছেন, তাদের প্রতিষ্ঠানটিকে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপ দেওয়া হোক।

এর আগে দাবি দাওয়া নিয়ে সোমবারও সড়ক অবরোধের পর মহাখালীতে রেলপথ অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। ফলে দিনভর সড়কে যানজটের পাশাপাশি ট্রেন বন্ধে ব্যাপক ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। ক্ষোভে পরে যাত্রীরা কমলাপুর রেলস্টেশনের ম্যানেজারকে অবরুদ্ধ করেন।

এমন পরিস্থিতির মধ্যে রাতে কলেজটির শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। পরে রাত সোয়া ৯টায় কর্মকর্তারা মহাখালী রেলক্রসিংয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে যান। অনশনরত শিক্ষার্থীদের জুস খাইয়ে অনশন ভাঙান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. নুরুজ্জামান ও কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক শিপ্রা রাণী মণ্ডল। কলেজটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের সুস্পষ্ট ঘোষণা না দিলেও শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির আশ্বাস দেন যুগ্মসচিব মো. নরুজ্জামান।

মুকেশ আম্বানিকে টপকে এশিয়ার সবচেয়ে বড় ধনী গৌতম আদানি, কার স…
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
আসছে আরও একটি ছাত্র সংগঠন, চলতি মাসেই আত্মপ্রকাশ
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সন্তানের মোবাইল দেখা নিয়ে কলহ, অতঃপর...
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সাংবাদিকদের ওপর হামলা, কবি নজরুল কলেজ শাখা ছাত্রদলের ২ নেতা…
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬
সালাউদ্দিন তানভীরের অব্যাহতি প্রত্যাহার করে স্বপদে বহাল করল…
  • ১৭ এপ্রিল ২০২৬