খামেনি © সংগৃহীত
শনিবার ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বাসভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মৃত্যুর ঘোষণা দিয়েছেন।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, খামেনি এবং অন্যান্য ইরানি কর্মকর্তারা ‘মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এবং উন্নত ট্র্যাকিং সিস্টেমের নজরদারি থেকে বাঁচতে পারেননি।’
১৯৮৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের ক্যারিশম্যাটিক নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর খামেনেয়ি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের হাল ধরেন। খোমেনি যেখানে পাহলভী রাজবংশের শাসনের অবসান ঘটিয়ে বিপ্লবের আদর্শিক ভিত্তি গড়েছিলেন, সেখানে খামেনেয়ি ইরানের সামরিক ও আধাসামরিক কাঠামোকে শক্তিশালী করেছিলেন। এটি একদিকে যেমন শত্রুদের হাত থেকে ইরানকে রক্ষা করেছে, অন্যদিকে দেশের সীমানার বাইরেও ইরানের প্রভাব বিস্তার নিশ্চিত করেছে।
সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার আগে, আশির দশকে ইরাকের সাথে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সময় তিনি ইরানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিশ্লেষকদের মতে, সেই বিধ্বংসী যুদ্ধ এবং ইরাকি নেতা সাদ্দাম হোসেনের প্রতি পশ্চিমা দেশগুলোর সমর্থন ইরানিদের মধ্যে এক ধরনের বিচ্ছিন্নতাবোধ তৈরি করেছিল। এটি খামেনেয়ির মনে পশ্চিমা বিশ্ব এবং বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি গভীর অবিশ্বাসের জন্ম দেয়।
এই মনোভাবই তার কয়েক দশকের শাসনকালকে প্রভাবিত করেছে এবং এই ধারণাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছে যে, ইরানকে বহিঃশত্রু ও অভ্যন্তরীণ হুমকির বিরুদ্ধে সর্বদা প্রতিরক্ষামূলক অবস্থানে থাকতে হবে।
‘ইরান’স গ্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজি: এ পলিটিক্যাল হিস্ট্রি’র লেখক এবং ইরানি বিষয়াবলীর বিশেষজ্ঞ ভ্যালি নাসর বলেন, ‘মানুষ ইরানকে একটি থিওক্রেসি বা ধর্মতাত্ত্বিক রাষ্ট্র হিসেবে মনে করে কারণ খামেনেয়ি পাগড়ি পরেন এবং রাষ্ট্রের ভাষা ধর্মীয়। কিন্তু বাস্তবে তিনি ছিলেন একজন যুদ্ধকালীন প্রেসিডেন্ট। তিনি যুদ্ধ থেকে এই শিক্ষা নিয়েছিলেন যে ইরান অরক্ষিত এবং এর কঠোর নিরাপত্তা প্রয়োজন। তার বিশ্বাস ছিল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন; এবং বিপ্লব, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদ—এগুলো আলাদা কিছু নয়, তাই এদের রক্ষা করতে হবে।’
এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ‘ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস’ (IRGC) একটি আধাসামরিক বাহিনী থেকে শক্তিশালী নিরাপত্তা, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। খামেনেয়ি পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মুখে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার জন্য ‘প্রতিরোধ অর্থনীতি’ প্রচার করেন। তিনি পশ্চিমাদের সাথে সমঝোতার বিষয়ে সর্বদা সন্দিহান ছিলেন এবং যারা সংস্কারের দাবি তুলতেন তাদের কঠোরভাবে দমন করতেন।
তবে তার দীর্ঘ শাসনকাল কয়েকবার বড় পরীক্ষার মুখে পড়েছে। ২০০৯ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগে বিক্ষোভ এবং ২০২২ সালে নারী অধিকার নিয়ে গড়ে ওঠা আন্দোলনগুলো এর অন্যতম উদাহরণ।
তার শাসনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ সম্ভবত এসেছিল চলতি বছরের জানুয়ারিতে। অর্থনৈতিক দুর্দশা থেকে শুরু হওয়া সেই বিক্ষোভ দেশব্যাপী গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়, যেখানে সরাসরি ইসলামি প্রজাতন্ত্রের পতনের ডাক দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষের প্রতিক্রিয়ায় ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর দেশটিতে অন্যতম রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সৃষ্টি হয়।
সমালোচকদের মতে, তিনি একটি তরুণ প্রজন্মের চাওয়া-পাওয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন, যারা বিচ্ছিন্নতাবাদের চেয়ে সংস্কার এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছিল।
ভ্যালি নাসর বলেন, ‘জাতীয় স্বাধীনতার ওপর অতিরিক্ত জেদের জন্য ইরানিদের অনেক চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় তিনি তার জনগণকে হারিয়েছেন, কারণ তারা আর এই স্বাধীনতার সার্থকতা খুঁজে পাচ্ছিল না।’
শিক্ষা
১৯৩৯ সালে উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র শিয়া নগরী মাশহাদে খামেনেয়ি জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ছিলেন একজন প্রখ্যাত মুসলিম নেতা এবং জাতিগতভাবে আজারবাইজানি। খামেনেয়ি তার মা খাদিজা মিরদামাদিকে একজন উৎসুক কোরআন পাঠক হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যিনি তার মধ্যে সাহিত্য ও কবিতার প্রতি ভালোবাসা জাগিয়েছিলেন এবং পরবর্তীতে পাহলভী রাজবংশের বিরুদ্ধে আন্দোলনে ছেলেকে সমর্থন দিয়েছিলেন।
চার বছর বয়সেই খামেনেয়ির শিক্ষা জীবন শুরু হয়। হাইস্কুলের পড়াশোনা শেষ না করে তিনি ধর্মতত্ত্ব বিদ্যালয়ে ভর্তি হন এবং তার বাবা ও শেখ হাশেম গজনভীর মতো প্রখ্যাত পণ্ডিতদের কাছে শিক্ষা গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে তিনি নাজাফ ও কোমের মতো নামকরা শিয়া শিক্ষা কেন্দ্রে পড়াশোনা চালিয়ে যান।
কোমে তিনি আয়াতুল্লাহ খোমেনির সান্নিধ্যে আসেন, যিনি তখন শাহর বিরুদ্ধে প্রতিরোধের কারণে তরুণ শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় ছিলেন। খামেনেয়ি সেখানে আইনশাস্ত্র ও ধর্মতত্ত্ব পড়াতে শুরু করেন, যা তাকে রাজতন্ত্রের প্রতি বীতশ্রদ্ধ তরুণ শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
তৎকালীন রাজতন্ত্র ১৯৫৩ সালে সিআইএ এবং এমআইসিক্স-এর মদতে এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পুনরায় ক্ষমতায় বসেছিল। রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে খামেনেয়ি শাহর গোপন পুলিশ ‘সাভাক’ এর হাতে বারবার গ্রেফতার হন এবং নির্বাসিত হন। তবে ১৯৭৮ সালে তিনি পুনরায় ফিরে এসে বিপ্লবে যোগ দেন।
সর্বোচ্চ নেতা
রাজতন্ত্রের পতনের পর নতুন ইরান গঠনে খামেনেয়ি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯৮০ সালে তিনি স্বল্প সময়ের জন্য প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং পরে আইআরজিসির সুপারভাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একজন তুখোড় বক্তা হিসেবে তিনি তেহরানের জুমার নামাজের খতিবের প্রভাবশালী পদটিও দখল করেন।
১৯৮১ সাল ছিল খামেনেয়ির জীবনের এক সন্ধিক্ষণ। মুজাহিদিন-ই খালক এর এক গুপ্তঘাতকের হামলা থেকে তিনি অল্পের জন্য বেঁচে গেলেও তার ডান হাতটি চিরতরে অচল হয়ে যায়। একই বছর তিনি ইরানের প্রথম আলেম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন।
১৯৮৯ সালে খোমেনির মৃত্যু ছিল দেশটির জন্য একটি মোড়। এর আগে খোমেনি তার উত্তরসূরি আয়াতুল্লাহ হোসেন আলী মন্তাজারিকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। সংবিধান সংশোধন করে শেষ পর্যন্ত খামেনেয়িকে নিয়োগ দেওয়া হয়, যদিও সে সময় তার ‘আয়াতুল্লাহ’ হওয়ার মতো পর্যাপ্ত ধর্মীয় পদবী ছিল না। নিয়োগের সময় খামেনেয়ি নিজেই বলেছিলেন, ‘আমি মনে করি আমি এই পদের যোগ্য নই।’ কিন্তু তার নেতৃত্ব কেবল প্রতীকী হয়ে থাকেনি।
খামেনেয়ির শুরুর দিকের সময়টা কেটেছে ইরাকের সাথে আট বছরের বিধ্বংসী যুদ্ধে ধ্বংস হওয়া দেশ পুনর্গঠনে। যুদ্ধের সময় নিয়মিত যুদ্ধক্ষেত্র পরিদর্শন করায় তিনি আইআরজিসির আনুগত্য লাভে সক্ষম হন।
নব্বইয়ের দশকে পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে শুরু করে। সংস্কারবাদী মোহাম্মদ খাতামির ১৯৯৭ সালের ভূমিধস বিজয় প্রমাণ করে যে মানুষ পশ্চিমাদের সাথে সুসম্পর্ক চায়। কিন্তু খামেনেয়ির অবিশ্বাস অটল ছিল। তিনি সংস্কারবাদীদের রুখতে তার অনুগত একটি শক্তিশালী সমর্থক গোষ্ঠী বা ‘ভোট ব্যাংক’ তৈরি করেন। তিনি আইআরজিসিকে অর্থনীতির ওপর নিয়ন্ত্রণ লাভের সুযোগ করে দেন এবং তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কট্টর আদর্শ ছড়িয়ে দিতে ব্যাপক অর্থায়ন করেন।
২০০৯ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে মাহমুদ আহমাদিনেজাদের বিজয়ের পর যখন ‘গ্রিন মুভমেন্ট’ শুরু হয়, তখন এই অনুগত বাহিনীগুলোকেই বিক্ষোভ দমনে ব্যবহার করা হয়। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মতে, তখন হাজার হাজার মানুষকে গ্রেফতার এবং কয়েক ডজন মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল।
‘না শান্তি, না যুদ্ধ’
খামেনেয়ি একজন বাস্তববাদীও ছিলেন। ২০১৫ সালে যখন পারমাণবিক কর্মসূচির কারণে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞায় ইরান জর্জরিত, তখন তিনি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির মাধ্যমে পশ্চিমাদের সাথে আলোচনার সবুজ সংকেত দেন। এর ফলে ঐতিহাসিক জেসিপিওএ (JCPOA) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
ভ্যালি নাসর বলেন, ‘এটি ছিল বাস্তববাদিতার এক মুহূর্ত। কখনো রাষ্ট্রকে রক্ষা করতে হলে সমঝোতা করতে হয়। তবে খামেনেয়ি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ‘না শান্তি না যুদ্ধ’ নীতি পছন্দ করতেন। পারমাণবিক চুক্তিটি তার কাছে কোনো স্বাভাবিক সম্পর্ক ছিল না, বরং এটি ছিল একটি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি।’
কিন্তু তিন বছর পর ডোনাল্ড ট্রাম্প এই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে আনলে সমঝোতার পথ বন্ধ হয়ে যায়। খামেনেয়ি পুনরায় আক্রমণাত্মক অবস্থান নেন এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বাড়িয়ে দেন। ২০১৯ সালে জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে দেশজুড়ে প্রতিবাদ শুরু হয়, যা খামেনেয়ি কঠোরভাবে দমন করেন।
২০২২ সালে মাহসা আমিনীর মৃত্যুর পর হিজাব আইনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী যে বিক্ষোভ হয়, তা খামেনেয়ির জন্য ছিল বিশাল চ্যালেঞ্জ। অ্যামনেস্টির তথ্যমতে, এই দমনে ৫০০-র বেশি মানুষ নিহত হয়। খামেনেয়ি এই আন্দোলনের পেছনেও বিদেশি হস্তক্ষেপের গন্ধ খুঁজে পেয়েছিলেন।
‘প্রতিরোধের অক্ষ’
খামেনেয়ির রণকৌশলের অন্যতম স্তম্ভ ছিল ‘অ্যাক্সিস অফ রেজিস্ট্যান্স’ বা প্রতিরোধের অক্ষ। এর লক্ষ্য ছিল লেবাননের হিজবুল্লাহ, সিরিয়ার বাশার আল-আসাদ, ফিলিস্তিনের হামাস, ইয়েমেনের হুথি এবং ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর মাধ্যমে দেশের বাইরে প্রভাব বিস্তার করা এবং শত্রুকে দূরে রাখা। এই কৌশলের প্রধান কারিগর ছিলেন কাসেম সোলাইমানি, যাকে ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্র হত্যা করে।
তবে ২০২৪ সালের শেষ দিকে সিরিয়ায় আসাদ সরকারের পতন এবং ২০২৫ সালে ইসরায়েলের তীব্র হামলায় ইরানের এই প্রক্সি নেটওয়ার্ক দুর্বল হয়ে পড়ে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর থেকে গাজায় শুরু হওয়া যুদ্ধ এবং পরবর্তীতে হিজবুল্লাহ নেতাদের হত্যাকাণ্ডের ফলে ইরান কোণঠাসা হয়ে পড়ে।
২০২৫ সালের ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা এবং সামরিক অবকাঠামোতে বড় ধরনের হামলা চালায়। জবাবে ইরান তেল আবিবে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এই সংঘাত দুই সপ্তাহ ধরে স্থায়ী হয় এবং শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় বড় ধরনের বোমাবর্ষণ করে।
নেতানিয়াহু খামেনেয়িকে হত্যার হুমকি দিয়েছিলেন এবং ট্রাম্প চেয়েছিলেন তার ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’। খামেনেয়ি পাল্টা জবাব দিয়ে বলেছিলেন, ‘আমেরিকানদের জানা উচিত যে কোনো সামরিক হস্তক্ষেপ অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনবে।’
বর্তমানে ইরান এক কঠিন চৌরাস্তায় দাঁড়িয়ে। একদিকে পঙ্গু হয়ে যাওয়া অর্থনীতি, অন্যদিকে দেশজুড়ে চরম বিক্ষোভ। ডিসেম্বরের শেষ দিকে মুদ্রা মান পতনের প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভে ৭ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হওয়ার দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থাগুলো।
২৮ ফেব্রুয়ারি ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ‘বড় ধরনের সামরিক অভিযান’ শুরু করেছে এবং এর লক্ষ্য ‘ক্ষমতা পরিবর্তন’। ট্রাম্প ইরানিদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘এখন তোমাদের স্বাধীনতার সময়। যখন আমাদের কাজ শেষ হবে, তখন সরকার তোমাদের হাতে তুলে নিও।’
তিনি আরও বলেন, তিনি এমন কিছু করতে প্রস্তুত যা আগে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট করেননি। ‘দেখা যাক তোমরা কেমন সাড়া দাও’—এই ছিল ট্রাম্পের শেষ কথা।
আল জাজিরা