ডোনাল্ড ট্রাম্প © সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, মার্কিন ও ইসরায়েলি যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেয়ি নিহত হয়েছেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন।
'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুর ব্যক্তি খামেনেয়ি এখন মৃত। এটি কেবল ইরানের জনগণের জন্যই ন্যায়বিচার নয়, বরং সেইসব মহান আমেরিকান এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের জন্যও সুবিচার—যারা খামেনেয়ি এবং তার রক্তপিপাসু সন্ত্রাসীবাহিনীর হাতে প্রাণ হারিয়েছেন বা পঙ্গু হয়েছেন।
আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা এবং অত্যন্ত উন্নত ট্র্যাকিং সিস্টেমের নজরদারি এড়ানো তার পক্ষে সম্ভব ছিল না। ইসরায়েলের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ফলে খামেনেয়ি কিংবা তার সাথে থাকা অন্য নেতারা—যারা এই হামলায় নিহত হয়েছেন—কারও পক্ষেই বাঁচার কোনো পথ ছিল না।
ইরানি জনগণের জন্য তাদের দেশ পুনরুদ্ধারের এটাই সবচেয়ে বড় সুযোগ। আমরা খবর পাচ্ছি যে, ইরানের আইআরজিসি (IRGC), সেনাবাহিনী এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ও পুলিশ বাহিনীর অনেকেই আর যুদ্ধ করতে চায় না। তারা আমাদের কাছে ক্ষমা বা দায়মুক্তি (Immunity) চাইছে। আমি গত রাতেই বলেছি, “এখন চাইলে তারা ক্ষমা পাবে, কিন্তু দেরি করলে কপালে কেবল মৃত্যু জুটবে!”
আমি আশা করি, আইআরজিসি এবং পুলিশ বাহিনী শান্তিপূর্ণভাবে ইরানি দেশপ্রেমিকদের সাথে একাত্ম হবে এবং এই দেশটিকে তার প্রাপ্য গৌরবে ফিরিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। সেই প্রক্রিয়া খুব শীঘ্রই শুরু হওয়া উচিত। কারণ খামেনেয়ির মৃত্যু ছাড়াও মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দেশটির সামরিক সক্ষমতা অনেকাংশেই ধ্বংস ও লণ্ডভণ্ড করে দেওয়া হয়েছে। তবে আমাদের লক্ষ্য অর্থাৎ মধ্যপ্রাচ্য এবং সারা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত এই নিখুঁত ও ভারী বোমাবর্ষণ পুরো সপ্তাহজুড়ে বা প্রয়োজনে আরও দীর্ঘ সময় ধরে বিরতিহীনভাবে চলতে থাকবে!’