ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

বর্জ্য অব্যবস্থাপনার বাড়ছে দূষণ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি

১৩ ডিসেম্বর ২০১৮, ০৪:২০ PM
ইবি ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে থাকা ময়লার স্তুপ

ইবি ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে থাকা ময়লার স্তুপ © টিডিসি ফটো

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ক্যাম্পাসে যথাযথ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে। ফলে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। এতে পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকিও। 

ক্যাম্পাসের শেখ হাসিনা হল ফটকের পাশে, অনুষদ ভবনের পেছনে, লালন শাহ হলের পকেট গেট, টিএসসিসি, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী, মীর মোশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে যত্রতত্র আবর্জনা ফেলায় যেন ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে।

ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ডাস্টবিন থাকা সত্ত্বেও যেখানে সেখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের খাবরের প্যাকেট-উচ্ছিষ্ট, একাডেমিক ভবন ও ল্যাবে ব্যবহৃত জিনিসপত্র, ময়লা-আর্বজনা ফেলা হচ্ছে। এর ফলে ময়লা-আবর্জনার স্তুপ জমে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে ময়লা-আর্বজনা ফেলায় আবাসিক শিক্ষার্থীদের দুর্গন্ধ সহ্য করেই নিয়মিত যাতায়াত করতে হচ্ছে। ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে না ফেলায় হলের সামনে পুকুর পাড়েই সৃষ্টি হয়েছে ময়লার ভাগাড়। লালন শাহ হলেন পাশেও ময়লার ভাগাড় তৈরি হয়েছে। হলের পকেট গেটে কর্মচারীদের আবাসিক এলাকায় ময়লা ফেলার কারণে একটি ভাগাড় তৈরি হয়েছে। এই ভাগাড়ের দুর্গন্ধ সহ্য করেই প্রতিদিন শিক্ষার্থীদের বাজারে যাতায়াত করতে হয়। শেখ হাসিনা হলের আবর্জনাও ফেলা হচ্ছে হল ফটকের পাশে।

এছাড়া টিএসসিসি, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী ও মীর মোশাররফ হোসেন একাডেমিক ভবনের পাশে ডাস্টবিন থাকা সত্ত্বেও সেখানে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে যেখানে-সেখানে ফেলা হচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন ক্যাম্পাসের পরিবেশ দূষণ হচ্ছে অন্যদিকে স্বাস্থ্যঝুঁকিতেও রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রধান কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. এস এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বায়ুবাহিত রোগগুলো সাধারণত আবার্জনা থেকেই বেশি ছড়ায়। এছাড়াও শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া এবং আমাশয়ের মতো রোগের জীবাণু ছড়াতে পারে সহজেই।’

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন পরিবেশ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে। তাদের অভিযোগ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি বিষয়টি যথাযত নজরদারিতে রাখতো তাহলে এ ধরনের সমস্যা হতো না।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক রবীন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হলো অন্য সকল জায়গা থেকে আলাদা একটি পরিবেশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের মত জায়গায় এমন পরিবেশ (ময়লার ভাগাড়) কখনোই কাম্য নয়। প্রশাসনের উচিত বিষয়টি যথাযত নজরদারিতে রাখা।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন উর রশিদ আসকারী বলেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি গ্রিন ইউনিভার্সিটি হিসেবে গড়ে তোলার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে আরো কিছু ডাস্টবিন স্থাপন ও ডম্পিং গ্রাউন্ডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। আশা করি এ সমস্যা আর থাকবে না।’

ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের সম্মানী ভাতা: নৈতিকতার কণ্ঠ কি আরও জো…
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ে জাবিসাসের আন্তর্জাতিক সিম্পোজিয়াম অ…
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
রমজানের সংযমে ঈদের আনন্দ: বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের ভাবনা…
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
ঈদের তারিখ ঘোষণা করল তুরস্ক ও সিঙ্গাপুর
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষ, নিহত ২
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
এক ব্যাচের ৬৩ জনের ৪০জন হলেন আইনজীবী
  • ১৮ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence