বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় © টিডিসি সম্পাদিত
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর (বেরোবি)-এর শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘদিন ধরে চলমান আবাসন সংকট নিরসনের লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে নতুন ৫০ একর জমি বরাদ্দের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
আজ সোমবার (৯ ডিসেম্বর) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারক মাঠে আয়োজিত রোকেয়া দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) প্রফেসর ড. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, পায়রাবন্দে বেগম রোকেয়ার নামে স্থাপিত স্মৃতিকেন্দ্রটি সচল করে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আনা হবে। এখানে ইতিহাস, ঐতিহ্য পাঠদানসহ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
তিনি বলেন, শহীদ আবু সাঈদের স্মৃতিধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কোনো সংকট থাকবে না। তাজহাট জমিদার বাড়ীকেও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আওতায় এনে গবেষণা ইন্সটিটিউট হিসেবে ব্যবহার করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসের আয়তন বৃদ্ধির জন্য অচিরেই ক্যাম্পাস সংলগ্ন ৫০ একর খাস জমি বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে বরাদ্দ দেওয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকটসহ ভৌত অবকাঠামো সংকট নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেগা প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাকালীন উপাচার্য প্রফেসর ড. লুৎফর রহমান, টিএমএস এর নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া পদকপ্রাপ্ত নারী উদ্যোক্তা প্রফেসর ড. হোসনে আরা বেগম এবং শিক্ষা ও প্রশাসন বিষয়ক বিশেষজ্ঞ এ এইচ এম মাঈনউদ্দিন তিতাস প্রমুখ। এসময় রোকেয়া দিবস ২০২৪ উপলক্ষ্যে প্রকাশিত ’রোকেয়া পাঠ’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ।
এর আগে সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে জাতীয় সংগীতের সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা। এরপর মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়ার অস্থায়ী প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অর্ন্তবর্তীকালীন সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) প্রফেসর ড. এম. আমিনুল ইসলাম, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. এম. আমিনুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ, বিভাগ, দপ্তর ও আবাসিক হল শোভাযাত্রায় অংশ নেয়। শোভাযাত্রাটি পার্কের মোড় হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্বাধীনতা স্মারক মাঠে এসে শেষ হয়। বাদ জোহর কেন্দ্রীয় মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।