তথ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত: ইবি প্রক্টর

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ
অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দ  © টিডিসি ফটো

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহাদৎ হোসেন আজাদ বলেছেন, অভিযোগ প্রদানের জন্য সঠিক তথ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিভ্রান্ত। দেখা যায় তারা সকল অভিযোগ প্রক্টরের নিকট জমা দেন। মূলত বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দিষ্ট দপ্তর সংক্রান্ত অভিযোগ ওই দপ্তর প্রধানের নিকট প্রদান করতে হয়। কোনও অভিযোগ কোথায় করতে হবে তা সকলকে "স্টুডেন্ট কোড অফ কন্ডাক্ট" থেকে জেনে নিতে হবে। যথাযথ অভিযোগ প্রদান করলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে প্রস্তুত রয়েছি।

জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল ও কর্মপরিকল্পনার ২০২৩-২৪ এর অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা বিষয়ক স্টেকহোল্ডার সমন্বয়ে সভায় তিনি এসব কথা বলেন। 

সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় ব্যবসায় প্রশাসন ভবনের ২১২ নং কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। মূখ্য আলোচক ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরীন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উপ রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) চন্দন কুমার দাস।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে শুদ্ধাচার কৌশল বিষয়ে ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. শেলীনা নাসরীন বলেন, নাগরিক হিসেবে শিক্ষার্থীরা যে সুবিধাগুলো পাবে এমন অধিকারগুলোর আওতা সামগ্রিকভাবে জানা জরুরি। বিভাগের ক্লাসে, বিশ্ববিদ্যালয়ে, আবাসিক হলের সিটিজেন চার্টার আলোকে তারা অবশ্যই অভিযোগ করতে পারবে। বৈধ অধিকার আদায়ে নাগরিক, কর্মকর্তা-কর্মচারী বিষয়ক ও দাপ্তরিক বিষয়ে সকল অভিযোগ শিক্ষার্থীরা অনলাইন ও প্রচলিত পদ্ধতিতে জমা দিতে পারবে। এতে আমরা শারীরিক মানসিক সকল সেবা প্রদান করব।

অনুষ্ঠানের পরের পর্বে শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকার ও সমস্যাগুলো তুলে ধরেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে লাইব্রেরি ও ডিজিটাল  লাইব্রেরি সেবা, ভর্তি সম্পর্কিত ধীরগতি, কর্মকর্তাদের সেবা প্রদানে অবহেলা, চিকিৎসা সেবাসহ অনেক অভিযোগ প্রদান করেন শিক্ষার্থীরা। পরে অভিযোগের নিষ্পত্তি ও পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করেন অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা কমিটির কর্মকর্তা চন্দন কুমার দাস। প্রতিকার পেতে মুখে অভিযোগ না করে, কাগজে কলমে লিখে ডেপুটি রেজিস্ট্রারের নিকট জমা দিতে হবে বলে জানান তিনি।


সর্বশেষ সংবাদ