কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় © সংগৃহীত
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আইন বিভাগের চার ব্যাচ থেকে মোট ৮২ জন শিক্ষার্থী বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। বিভাগটি চালু হওয়ার এখনো একযুগ পার হয়নি। নতুন বিভাগ হিসেবে এটি শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গর্বের অর্জন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জানা গেছে, বাংলাদেশ বার কাউন্সিল কর্তৃক আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্তির মৌখিক (ভাইভা) পরীক্ষায় সারা দেশ থেকে মোট ৮ হাজার ৫৯৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। গত রবিবার (১৫ মার্চ) বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ১৫ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৫ এবং ১৩ থেকে ১৪ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত বার কাউন্সিল ভবনে অনুষ্ঠিত ভাইভা পরীক্ষায় নির্ধারিত রোল নম্বরধারী প্রার্থীরা উত্তীর্ণ হয়েছেন। উত্তীর্ণরা বাংলাদেশে আইন পেশায় অ্যাডভোকেট হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।
বার কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, উত্তীর্ণ প্রার্থীরা দেশের সর্বোচ্চ আদালত বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অধীনস্থ যেকোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা রাজস্ব কর্তৃপক্ষের অধীনে আইন পেশা পরিচালনার জন্য আইনজীবী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন। আইন পেশা শুরু করার জন্য তাঁদের ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচিত বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যপদ গ্রহণ করতে হবে।
আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক সাদিয়া তাবাসসুম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বাড়াতে আমাদের আইন বিভাগ শুরু থেকেই অবদান রেখে আসছে। আমাদের বিভাগের ৫ জন শিক্ষার্থী জাজ হিসেবে কর্মরত আছেন। গতবছরও আমাদের অনেক শিক্ষার্থী আইনজীবী হয়েছেন। এবারও আমাদের বিভাগ থেকে বড় একটি সংখ্যক শিক্ষার্থী আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছেন। আইন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও তাদের শিক্ষক হিসেবে আমি এবং আমার সহকর্মীরা খুবই গর্বিত ও আনন্দিত। আমরা তাদের সফলতা কামনা করি।
প্রসঙ্গত, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ ২০১৬ সাল থেকে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু করে৷