পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান © সংগৃহীত
বেঁচে থাকার জন্য ও সুন্দর জীবনের জন্য আমাদের খুবই প্রয়োজন অর্থনৈতিক উন্নয়ন। এর বিকল্প কিছু নেই বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজন করা হয় ‘৫০ বছরে বাংলাদেশ- অর্জন, প্রত্যাশা ও চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক সম্মেলন। শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল পাঁচটায় সম্মেলনের শেষ দিন প্রধান অতিথির বক্তব্যে উক্ত কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী।
দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। শেষ দিনে সঞ্চালনা করেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারজানা সিদ্দিকা ও পলিটিক্যাল স্ট্যাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জহিরুল হক। সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ’র উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাস।
অনুষ্ঠানটির আহ্বায়ক অধ্যাপক দিলারা রহমান অনুষ্ঠানে সমাপনী বক্তব্য দেন ও সম্মেলনটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. জায়েদা শারমিন সার্বিক বিষয়ে বক্তব্য দেন ।
আরও পড়ুন: এসএসসির দ্বিতীয় দিনে বহিষ্কার ৮১
সম্মেলনে বাংলাদেশ, আমেরিকা, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, তুর্কি, ভারত, মঙ্গোলীয়া ও ডেনমার্কসহ ৮টি দেশের গবেষকদের শতাধিক গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপিত হয়েছে। এগুলো ১৪টি স্বশরীর সেশনে এবং ২টি ভার্চুয়ালি সেশনে উপস্থাপিত হয়েছে।
পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বক্তব্যে বলেন, দেশের উন্নয়ন এবং আমাদের বাঁচার জন্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন খুবই প্রয়োজন। কবিতা পড়ে, গান লিখে, ছবি এঁকে আমাদের পেট ভরবে না, সন্দেহাতীতভাবেই আমরা তা উপভোগ করবো। কিন্তু আমাদের কাজ করা, আউটপুট এবং প্রোডাকশনের কোনো বিকল্প নেই। দেশের উন্নয়নে আমাদের যতগুলো চ্যালেঞ্জ আছে তার মধ্যে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আমি মনে করি সেটা হলো বাংলাদেশের ইকোনমিক ট্রান্সফরমেশন।
মন্ত্রী আরও জানান, আমি মনে করি গত ১০-১৫ বছরে আমরা অনেকটাই বিভ্রান্তি কাটিয়ে ট্র্যাকে এসেছি। আমরা দারিদ্রকে আক্রমণ করে কমিয়ে এনেছি। এ মুহূর্তে আমাদের প্রয়োজন সবার ঐক্যবদ্ধভাবে গুছিয়ে চলা। তাহলেই আমরা এ উন্নয়নের দিকে যেতে পারবো বলে আমি মনে করি।
উক্ত সম্মেলনে গবেষকরা গত ৫০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি, আর্থ সামজিক উন্নয়ন, সরকারি ও বেসরকারি খাতে সংস্কার, প্রযুক্তি ও উন্নয়ন, সংস্কৃতি বিনিময়, চ্যালেঞ্জ, ভাষা ও সাহিত্য, দক্ষিণ এশিয়া ও বাংলাদেশের ভূ-রাজনীতি, কোভিড-১৯, দারিদ্র্যতা, লিঙ্গ বৈষম্য, টেকসই উন্নয়ন, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়।