বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা বিশ্বাসযোগ্য করার পরামর্শ জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর

১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩০ PM , আপডেট: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৪ PM
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী © ফাইল ছবি

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেছেন, ‘বিসিএসসহ চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্ন আউট প্রশ্ন আউটের বিষয়টি এখন আর কোনোভাবে আসে না। মূল্যায়ন পদ্ধতিটি কীভাবে সংস্কার বা কীভাবে এটিকে ভালো মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্য করা যায়, সেটিও ইম্পর্টেন্ট। মৌখিক পরীক্ষা সম্পর্কে মানুষ অনেক কোশ্চেন থাকে, মেধাবী ছাত্র বিষয় ফার্স্ট ক্লাস পাস, দেখা যাচ্ছে যে সে কোনোভাবেই আসতে পারছে না।’

আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর সোনারগাঁওয়ে বিপিএসসি সংস্কার প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এটি মানুষের পক্ষে বিশ্বাসযোগ্য করতে কষ্ট হয়, বারবার গেলেও হয়তো মৌখিক নম্বর কম হচ্ছে। মৌখিক পরীক্ষা কীভাবে বিশ্বাসযোগ্য করা যায়, এ বিষয়ে চেয়ারম্যান এবং সদস্যরা একটু খেয়াল রাখবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘মৌখিক পরীক্ষা আগে ২০০ নম্বর ছিল। আমি যখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলাম, তখন আমি প্রস্তাব করেছিলাম ১০০ করার জন্য। তখন পিএসসিকে সরকারের পক্ষ থেকে রিকোয়েস্ট করা হলে ১০০ নম্বর করা হয়। পরবর্তীতে আবার ২০০ হয়ে আবার ১০০ হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশে সব ক্ষেত্রে অর্গানাইজেশন গুলো নষ্ট হয়ে গেছে। মানুষের আস্থা কমে গেছে। এখন এগুলোকে ঠিক করে নিয়ে আসা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী বারবার বলছেন যে, সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা জবাবদিহি এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলছেন। আইন অনুযায় দায়িত্ব পালন এবং মেধা, সততা, দক্ষতার ওপরেই কর্মকর্তাদের মূল্যায়ন হয়। গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে যখন লোকজনকে অফারে সিলেকশন করা হচ্ছে। উচ্চ লেভেলের কর্মকর্তাদের একটা ভালো মিটিং বিদেশি ডোনারদের সাথে কন্টাক্টও তারা করতে পারছেন না।’

আরও পড়ুন: ঢাবির ফলাফল ওয়েবসাইটে ‘ম্যালওয়্যার আক্রমণ’, অনলাইন জুয়ার বার্তা

সিভিল সার্ভিসে অবশ্যই সবচেয়ে মেধাবীরা আসে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মেধাভিত্তিক নিয়োগে স্বাধীনতা দিতে হবে এবং সেটি পালন করতে হবে। আমি যদি নিজে স্বাধীনভাবে কাজ না করি, তাহলে আমাকে কেউ স্বাধীনভাবে করাতে পারবে না। পিএসসি সাংবিধানিক সংস্থা। স্বাধীনভাবে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করলে কোনো সমস্যা থাকার কারণ নেই।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ম্যানপাওয়ার হচ্ছে সবচেয়ে বড় সম্পদ। আমরা যদি মানব সম্পদের উন্নয়ন করতে না পারি, আমরা যে কোনো কাজ করতে পারব। এজন্য দায়িত্বটি তারা নিয়েছেন এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে এখানে কোন প্রকারের কোন হস্তক্ষেপ ফিরবে না। মেধাভিত্তিক নিয়োগের জন্য আমরা প্রক্রিয়াগুলো সঠিকভাবে প্রতিপালন করি। নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাভিত্তিক নিয়োগই হবে, নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানকে সক্রিয় হতে হবে।’

মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
মাদ্রাসার এমপিওভুক্তর উৎসব ভাতার চেক ছাড়
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
জাবিতে স্টিকারবিহীন যানবাহন প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
সংসদে উপস্থাপিত ‘ভুল তথ্যের’ জবাব দিলেন সদ্যবিদায়ী ৫ কমিশন…
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
ছেলেসহ তিনজনকে কুপিয়ে ছাদ থেকে লাফ অবসরপ্রাপ্ত কনস্টেবলের, …
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬
চলমান সংকটের দায়ভার ও পরিণতি মোটেই সহজ হবে না
  • ১৩ এপ্রিল ২০২৬