১৫০ বছর পর লাইব্রেরিতে ফেরত এলো বই, গুনতে হবে ২৪ লাখ টাকা জরিমানা

০১ আগস্ট ২০২৬, ০৪:৪৫ PM , আপডেট: ০১ আগস্ট ২০২৬, ০৫:০০ PM
১৫০ বছর পরে ফেরত দিলেন বই

১৫০ বছর পরে ফেরত দিলেন বই © টিডিসি ফটো

এ যেনো হার মানিয়েছে আগের সমস্ত্র রেকর্ডকে। অস্ট্রেলিয়ার একটি পাবলিক লাইব্রেরি থেকে ধার নেওয়া একটি বই দীর্ঘ ১৫০ বছর পর ফেরত দেওয়া হয়েছে! ‘অ্যান্টিকুইটিজ অব এথেন্স’ নামের এই বিরল বইটি গত সপ্তাহে দেশটির সমুদ্র উপকূলীয় শহর কিয়ামার লাইব্রেরিতে এক ব্যক্তি জমা দিয়ে যান। বাড়ি সংস্কারের সময় একটি বন্ধ ফায়ারপ্লেসের ইটের ভেতরে লুকানো চায়ের কাঠের বাক্স থেকে বইটি উদ্ধার করেন তিনি।

লাইব্রেরির পুরোনো নিয়ম ও বর্তমান মূল্যস্ফীতি অনুযায়ী বইটির বিলম্ব ফি হিসাব করলে তা দাঁড়ায় প্রায় ২৮ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৪ লাখ টাকা। কিয়ামা লাইব্রেরির ব্যবস্থাপক মিশেল হাডসন জানান, ১৮৭০-এর দশকে লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠার সময় নিয়ম ছিল বই ফেরত দিতে দেরি হলে প্রতি সপ্তাহে ৩ পেনি করে জরিমানা দিতে হবে। সেই নিয়ম এবং দেড়শ বছরের মূল্যস্ফীতি বিবেচনায় নিয়েই এই বিশাল জরিমানার অঙ্ক বের করা হয়েছে।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে (এপি) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিশেল হাডসন বলেন, ‘এত পুরোনো কোনো বই আগে কখনো আমাদের লাইব্রেরিতে ফেরত আসেনি। সাধারণত ৩০ বা ৪০ বছর বিলম্বে বই ফেরত আসার ঘটনা দেখা যায়, তবে দেড়শ বছর সত্যিই অভূতপূর্ব।’

দীর্ঘ সময় চিমনির পাশে বন্ধ অবস্থায় পড়ে থাকায় বইটি পানির সংস্পর্শে এসে সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি ছিল লাইব্রেরির প্রাথমিক এক হাজার বইয়ের সংগ্রহের ৫০৬ নম্বর বইটি। তবে বইটি ঠিক কে বা কারা ধার নিয়েছিলেন, তা জানার আর কোনো উপায় নেই। কারণ ১৮৭০-এর দশকের লাইব্রেরি রেজিস্টার খাতাটি বহু আগেই হারিয়ে গেছে। হাডসনের ভাষায়, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ একটি সংযোগ হারিয়ে গেছে। বইটিতে এমন কোনো তথ্য নেই, যা থেকে শেষবার এটি কে নিয়েছিলেন তা জানা যায়।’

তৎকালীন কিয়ামা লাইব্রেরির বই ধার নেওয়ার নিয়মে ছিল বেশ কিছু কড়াকড়ি। নতুন বই ধার নেওয়ার আগে আগের সব বকেয়া পরিশোধ করতে হতো। যে পরিবারে অন্তত ৬ জন পড়ার মতো সদস্য ছিলেন, শুধু সেই পরিবারই সর্বোচ্চ ৩টি বই নিতে পারত। এছাড়া মদ্যপ অবস্থায় লাইব্রেরিতে এলে কাউকে বই দেওয়া হতো না।

অসাধারণ ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে বইটি আর সাধারণ পাঠকের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে না। বর্তমানে এটি কিয়ামা লাইব্রেরির স্থানীয় ইতিহাস সংগ্রহশালায় প্রদর্শনের জন্য সংরক্ষণ করা হচ্ছে। মিশেল হাডসন রসিকতা করে বলেন, ‘এবার আর বইটি কাউকে ধার দেওয়া হবে না। আমরা চাই না, এটি ফেরত পেতে আমাদের আবার ১৫০ বছর অপেক্ষা করতে হোক!’

তৃতীয় ভাষাকে প্রাধান্য দেওয়া বাংলাদেশ সরকারের একটা বড় লক্…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
উচ্চশিক্ষায় কি দলীয়করণমুক্ত করতে পেরেছি—প্রশ্ন ড. মাহমুদুর …
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
জুলাই শহীদদের স্মরণে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিত…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
স্পেনের সঙ্গে বর্ডার ফ্রি শেনজেন চুক্তি স্থগিত করল ইতালি
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
চীনের এআই সহযোগিতা সংস্থায় পর্যবেক্ষক হিসেবে যুক্ত হচ্ছে বা…
  • ০১ আগস্ট ২০২৬
হামের উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু
  • ০১ আগস্ট ২০২৬