সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

বিশ্ববিদ্যালয়ের গাফিলতির খেসারত দিচ্ছেন ১৪৮ শিক্ষার্থী

১৯ নভেম্বর ২০২১, ০২:৩০ PM
সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি © ফাইল ফটো

সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অনিয়মের ফাঁদে পড়ে শিক্ষার্থীদের জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠেছে। কর্তৃপক্ষের গাফিলতির খেসারত দিতে হচ্ছে ১৪৮ জন শিক্ষার্থীকে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আইন লঙ্ঘন করে ছাত্র ভর্তির বিষয়টি গোপন রাখে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা দুই বছর আগে পড়াশোনা শেষ করে বের হলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অনিয়মের জরিমানা পরিশোধ না করায় ১৪৮ শিক্ষার্থী বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছেন না।

বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জড়ো হন আইন অনুষদ থেকে পাস করে বেরিয়ে যাওয়া শিক্ষার্থীরা। সমস্যা সমাধানে শিক্ষকরা এগিয়ে না এলে বিশ্ববিদ্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও আইন বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত মুনাফা লাভের আশায় প্রতি সেমিস্টারে ৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থী ভর্তি করায়। এ জন্য বার কাউন্সিল শিক্ষার্থীদের ইন্টিমেশন জমা নিচ্ছে না। এই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য প্রায় ৮ মাস আগে ১৪৮ জন শিক্ষার্থীর পক্ষে হাইকোর্টে দুটি রিট (৫০৯১ ও ৫৩৭০) দাখিল করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২৩তম ব্যাচের ছাত্র মো. আপতার মিয়া ও ২২তম ব্যাচের শফিকুল ইসলাম শফির করা রিট দুটির ওপর ভিত্তি করে ১৯ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট বিশ্ববিদ্যালয়কে ২৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এর মধ্যে ১৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা আপতার মিয়া এবং ১৫ লাখ ২০ হাজার টাকা শফিকুল ইসলাম শফির রিটের পক্ষে হয়।

আদালত ৮ সপ্তাহ সময় দিয়েছিল টাকা পরিশোধে জন্য। মোট ছয়টি কিস্তিতে টাকা পরিশোধ করার কথা থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত জরিমানার টাকা পরিশোধের কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এ নিয়ে কথা হয়েছে। ২২ নভেম্বরের মধ্যে যদি সিদ্ধান্তে উপনীত হতে না পারেন, তাহলে ক্যাম্পাস অবরুদ্ধ করে শিক্ষার্থীরা তালা লাগিয়ে দেবেন।

এই পরিস্থিতি নিরসনে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের বিভাগীয় প্রধান হুমায়ন কবীর জানান, ২০১৪ সালে প্রতিটি বেসকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চিঠি আসে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালগুলো ৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থী ভর্তি করে। আমরাও ভর্তি করেছি। অধিক শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়টি ইউজিসিকে জানিয়েছিলাম। বার কাউন্সিল ইউজিসি থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছে। ফলে তারা এই চার ব্যাচের পরীক্ষা দিতে দেবে না।

ছাত্রদের রিটের বিষয়ে তিনি জনান, আমরাই শিক্ষকদের মাধ্যমে রিট করি। ওই রিটের আপিল করি। আগামী ১২ তারিখ আপিলের শোনানির কথা রয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. শহীদুল্লাহ তালুকদার দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে জানান, আপানারা সবই জানেন, এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াতে ১৩ মাস ধরে বেতন পাই না।

তিনি আরও বলেন, আমি এখানে নতুন জয়েন্ট করেছি, চেয়ারম্যান দেশের বাহিরে আছেন। আমরা বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করছি। তিনি দেশে আসলে এর একটা সমাধান হবে আশা করছি।

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গ্রেপ্তার করায় র‍্যাবের ওপর হামলা,…
  • ১২ মার্চ ২০২৬
শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি দেওয়ার নামে যশোরে সক্রিয় প্রতারকচক্র
  • ১২ মার্চ ২০২৬
গাজীপুরে ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ড, দগ্ধ ৩
  • ১২ মার্চ ২০২৬
ঢাবির এফ রহমান হল সংসদের উদ্যোগে সম্প্রীতির সেহেরি ভোজ
  • ১২ মার্চ ২০২৬
৩ শর্তে যুদ্ধ থামাতে রাজি ইরান
  • ১২ মার্চ ২০২৬
ঢাবিতে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাত্রদলের ইফতার ও…
  • ১২ মার্চ ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
22 April, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081