ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় ড্যাফোডিলের ‘এআই হ্যাকাথন ২০২৬’

১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৬ PM
ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় ড্যাফোডিলের ‘এআই হ্যাকাথন ২০২৬’

ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় ড্যাফোডিলের ‘এআই হ্যাকাথন ২০২৬’ © সৌজন্যে প্রাপ্ত

দেশের তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরিতে উৎসাহিত করতে ‘এআই হ্যাকাথন ২০২৬’ আয়োজন করবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। আগামী ১১ ও ১২ জুলাই ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। আয়োজনকে কেন্দ্র করে ওয়ার্ল্ড এআই এলাইন্সের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

গত ১৫ এপ্রিল সাভারের বিরুলিয়ায় ড্যাফোডিল স্মার্ট সিটিতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ হ্যাকাথন সম্পর্কে জানানো হয়। এ সময় দেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও উচ্চশিক্ষা খাতের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। 

সন্মানিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড এআই অ্যালায়েন্সের প্রেসিডেন্ট ও স্কেলবিল্ড এআই-এর সিইও মি. উজ্জ্বল রায়, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মাসুম ইকবাল, রেজিস্ট্রার ড. মোহাম্মদ নাদির বিন আলী, বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. ফখরে হোসেন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. শেখ রাশেদ হায়দার নূরী, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. ইমরান মাহমুদ, ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. তাসলিম আরেফিন  এবং কম্পিউটিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের প্রধান মো. সারওয়ার হোসাইন মোল্লা।

হ্যাকাথনের মূল লক্ষ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের একত্রিত করে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) ব্যবহার করে বাস্তব সমস্যার উদ্ভাবনী সমাধান তৈরি করা। প্রতিযোগিতাটি ৪৮ ঘণ্টার একটি ইনটেনসিভ হ্যাকাথন, যেখানে নির্বাচিত দলগুলো তাদের এআই  প্রজেক্ট তৈরি ও উপস্থাপন করবে।

অংশগ্রহণের নিয়ম

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইরা এতে অংশগ্রহণ করতে পারবে। প্রতিটি দলে থাকতে হবে— ৩ জন শিক্ষার্থী ও ১ জন মেন্টর (একাডেমিক বা ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞ)। প্রতিযোগিতাটি ৩টি ট্র্যাক-এ অনুষ্ঠিত হবে।

নিবন্ধন ও বাছাই প্রক্রিয়া

অংশগ্রহণকারীদের অনলাইনে নিবন্ধন করে একটি কনসেপ্ট নোট জমা দিতে হবে। বিশেষজ্ঞ বিচারকমণ্ডলী প্রস্তাবনা মূল্যায়ন করে নির্বাচিত দলগুলোকে চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানাবে।

পুরস্কার ও সুযোগ

হ্যাকাথনে মোট ২ লক্ষ টাকার পুরস্কার রাখা হয়েছে। এছাড়া বিজয়ী দলগুলো ওয়ার্ল্ড এআই অ্যালায়েন্সের মাধ্যমে তাদের প্রজেক্টকে স্টার্টআপে রূপান্তরের জন্য ফান্ডিং, মেন্টরশিপ ও ইনকিউবেশন সুবিধা লাভের সুযোগ পাবে।

এ ধরনের উদ্যোগ তরুণ প্রজন্মকে কেবল প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করে তোলাই নয়, বরং তাদেরকে উদ্ভাবক, সমস্যা সমাধানকারী এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে রূপান্তরিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ‘এআই হ্যাকাথন ২০২৬’-এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি শক্তিশালী ইনোভেশন ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার পাশাপাশি বাংলাদেশকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক গবেষণা ও প্রযুক্তি উন্নয়নের বৈশ্বিক মানচিত্রে আরও দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে অবদান রাখবে যা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হবে বলে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

তা'মীরুল মিল্লাতের পুকুরে ডুবে শিক্ষার্থীর মৃত্যু
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাবিতে বিক্ষোভ মিছিল…
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
শিক্ষকদের বদলি নিয়ে যা বললেন মাউশি ডিজি
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
জবাবদিহিতার জন্য মন্ত্রীদের মৌখিক উত্তরের দাবি হাসনাতের
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
পুলিশের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬
মাহদী আমিনের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নিয়ে মন্তব্য, ছাত্রদল নেতা…
  • ১৯ এপ্রিল ২০২৬