ট্রাস্টি বোর্ডের দ্বন্দ্বে রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক অচলাবস্থা

১৫ মে ২০২৬, ০৯:২৯ PM
রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়

রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় © টিডিসি সম্পাদিত

বোর্ড অব ট্রাস্টিজের (বিওটি) অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, ট্রাস্ট ডিড (চুক্তিপত্র) নিয়ে বিভক্তি এবং প্রশাসনিক শীর্ষ পদ শূন্য থাকাকে কেন্দ্র করে সংকট গভীর হয়েছে কুষ্টিয়ার রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধ এখন আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। এক পক্ষের অভিযোগ, গোপনে ‘ভুয়া ট্রাস্ট ডিড’ তৈরি করে মূল প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টিদের বাদ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়েছে। অপর পক্ষ বলছে, দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান, একক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও অনিয়মের কারণেই সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ জহুরুল ইসলামসহ বাকিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হয়েছে।

সংকটের মধ্যে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ভিসি অধ্যাপক ড. শাহাজাহান আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল পদ থেকে পদত্যাগের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারারের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। একইসঙ্গে কয়েকজন শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করা, ভর্তি কার্যক্রম নিয়ে সতর্কবার্তা এবং পাল্টাপাল্টি বিবৃতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এ অবস্থায় শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টি চালু হওয়ার পর বিওটির চেয়ারম্যান ছিলেন জাসদ সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এছাড়া তার স্ত্রী আফরোজা হক রিনা, ছেলে শমিত আশফাকুল হকসহ ১৫ জন সদস্য ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির বিওটিতে। গত বছর ৮ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন ভিসি অধ্যাপক ড. শাহাজাহান আলী তার মেয়াদপূর্ণ ডিন পদ থেকে পদত্যাগ করেন। একইসাথে পদত্যাগ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আব্দুল লতিফ। একইদিনে ভিসি ও রেজিস্ট্রারের পদত্যাগ ঘিরে শুরু হয় চাঞ্চল্য। যদিও তারা অভিযোগ করেন, বলপূর্বক তাদের পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ১২ জন শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগও রয়েছে।

সংশ্লিষ্টর বলছেন, কার্যত বিওটি সদস্যদের দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে সংকটের শুরু হয় আগেই। বিওটির ট্রাস্ট ডিডের জন্যও আলাদা আবেদন করেছেন তারা। প্রতিষ্ঠার পর বিওটির সদস্যদের মধ্যে বাকিরা হলেন— ড. জহুরুল ইসলাম, শেখ মোস্তাফিজুর রহমান, মো. সামসুর রহমান বাবু, আবু সাঈদ মোহাম্মদ আলী, হালিমা খাতুন, মো. আনিসুর রহমান, মো. জমিরউদ্দিন, মো. ফজলে রব্বানী, মো. মনিরুজ্জামান, মোছা. ইসমত আরা খাতুন, মাহাবুব বিন শাহজাহান, মো. জুলফিকার আলী। এর মধ্যে মোছা. ইসমত আরা খাতুন ড. জহুরুল ইসলামের স্ত্রী ও মো. ফজলে রব্বানী তার শ্যালক।

গতবছর জুলাইয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসিতে ড. জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেন বিওটির ৭ জন সদস্য। অভিযোগে বলা হয়, তিনি রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয় বোর্ড অব ট্রাস্টিজের স্বঘোষিত ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করে চলেছেন।

সম্প্রতি আফরোজা হক রীনা নিজেকে রবীন্দ্র মৈত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান উল্লেখে করে এক সতর্কবার্তায় বলেন, গত ৮ ডিসেম্বর ২০২৫ বিওটির একটি অংশ প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য, রেজিস্ট্রার ও কয়েকজন সিনিয়র শিক্ষককে জোরপূর্বক অপসারণ করার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক সংকটে পড়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে কয়েকজন শিক্ষক ও কর্মকর্তাকে বেআইনিভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং একটি পক্ষ ‘ভুয়া ট্রাস্ট দলিল’ তৈরি করে মূল ট্রাস্টিদের বাদ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ বিষয়ে ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একাধিক আবেদন করা হলেও এখনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও বলেন, এ অবস্থায় ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মূল বিওটি প্রস্তাবিত অথবা নিরপেক্ষ উপাচার্য নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের ভর্তি কার্যক্রমে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষক ও কর্মকর্তাদেরও ব্যক্তিগত দায় নিয়ে ভর্তি কার্যক্রমে সম্পৃক্ত না হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পাল্টা বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. নওয়াব আলী দাবি করেন, একটি ‘স্বার্থান্বেষী মহল’ পরিকল্পিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষভাবে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরিচ্যুত শিক্ষক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়। এছাড়াও ‘শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়ে জরুরি সতর্কতা’ শীর্ষক একটি নোটিশ ভুয়া প্যাডে তৈরি করে আফরোজা হক রীনার স্ক্যানকৃত স্বাক্ষর ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো হয়েছে, যার উদ্দেশ্য ভর্তি কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টি করা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ট্রাস্ট আইন অনুযায়ী দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থান করায় ড. জহুরুল ইসলামের ট্রাস্টি পদ বিলুপ্ত হয়েছে এবং বর্তমানে তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। একইসঙ্গে আফরোজা হক রীনা ও সোমিত আশফাকুল হককেও বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামোর বাইরে বলে উল্লেখ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অ্যাকাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম আইন ও বিধি অনুসারেই পরিচালিত হচ্ছে। ড. জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও বৈষম্যমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি কিছু নির্দেশনা দিয়েছে বলেও দাবি করা হয়। এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা তথ্য প্রচারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়।

এসব বিষয়ে বিওটির সদস্য অধ্যাপক ড. জহুরুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে অভিযোগ করে বলেন, বিওটির একটি পক্ষ আলাদা হয়ে গোপনে নতুন ট্রাস্ট ডিড তৈরি করে মূল সাতজন প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টিকে বাদ দেয় এবং নতুন তিনজনকে যুক্ত করে। এ নিয়ে জয়েন্ট স্টক রেজিস্ট্রারে দ্বন্দ্বের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

তার অভিযোগ, পরবর্তীতে বিওটির একটি পক্ষ আলাদা হয়ে গোপনে নতুন ট্রাস্ট ডিড তৈরি করে, মূল সাতজন প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টিকে বাদ দেয় এবং নতুন তিনজনকে যুক্ত করে। এ নিয়ে জয়েন্ট স্টক রেজিস্ট্রারে দ্বন্দ্বের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ইউজিসির নির্দেশনা বাস্তবায়ন নিয়ে বিরোধের মধ্যেই ২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর একটি পক্ষ জোরপূর্বক বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নেয়। এ সময় ক্যাম্পাসে অস্ত্র প্রদর্শন, বিদ্যুৎ ও নেটওয়ার্ক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বের করে দেওয়া এবং অবৈধভাবে প্রশাসনিক নিয়োগ দেওয়ার ঘটনাও ঘটে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী ভাইস চ্যান্সেলর না থাকায় প্রশাসনিক কার্যক্রম আইনগত সংকটে রয়েছে এবং এতে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এ ঘটনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়, ইউজিসি ও আদালতে একাধিক অভিযোগ ও মামলা চলমান রয়েছে বলেও জানান তিনি।

বিওটির অপরপক্ষের সদস্য মো. মনিরুজ্জামান দাবি করেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনায় বাস্তব সমস্যার সৃষ্টি হয়। এ কারণে কুষ্টিয়ায় অবস্থানরত ট্রাস্টি সদস্যরা স্থানীয়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম তদারকির উদ্যোগ নেন। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের মেয়াদ ও পুনর্গঠন নিয়ে দীর্ঘদিন কোনো পরিবর্তন হয়নি। পরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ দেওয়া হলে একটি তদন্ত হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে একই পরিবারের একাধিক সদস্যের ট্রাস্টি বোর্ডে থাকা এবং বিদেশে অবস্থানসহ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ট্রাস্ট আইন ১৮৮২-এর ৭৩ ধারার আলোকে দীর্ঘদিন বিদেশে অবস্থানকারী ট্রাস্টিদের সদস্যপদ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এ প্রেক্ষাপটে বোর্ড পূর্ণাঙ্গ করতে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তিনি জানান, নতুন ট্রাস্ট ডিডের বৈধতা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে এবং বিষয়টি আদালতের মাধ্যমেই নিষ্পত্তি হবে। এছাড়া চিঠি দেওয়ার পরও কয়েকজন সদস্য মিটিংয়ে উপস্থিত না থাকায় তাদের বাদ দিয়ে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।

ড. জহুরুল ইসলামের অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, জোরপূর্বক পদত্যাগ বা অস্ত্রের মুখে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘটনা ‘সম্পূর্ণ অসত্য’। তার দাবি, সাবেক উপাচার্য ও রেজিস্ট্রার স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছেড়েছেন এবং এ বিষয়ে ইউজিসি বা শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোনো অভিযোগের সত্যতা পায়নি।

এছাড়া কয়েকজন শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তদন্ত প্রতিবেদনে কিছু শিক্ষকের যোগ্যতা ও নিয়োগসংক্রান্ত অসঙ্গতি উঠে আসায় প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কেউ কেউ স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছেড়েছেন এবং কয়েকজনকে পার্টটাইম করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও দাবি করেন, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষা, ভর্তি কার্যক্রম ও বিভিন্ন অনুষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোনো অস্থিরতা নেই। একইসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী প্রশাসক বা ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগের বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এর আগে ট্রাস্টির অপর সদস্য আবু সাঈদ মোহাম্মদ আলী উচ্চ আদালতে রিট করলে, গত ১ ডিসেম্বর ১৬০ দিনের মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেয় আদালত। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে ইউজিসি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করলে কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়টির সংকট নিরসনে প্রশাসক নিয়োগের সুপারিশ করে।

জানতে চাওয়া হলে ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে ইউজিসি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকট নিরসনে একজন প্রশাসক (অ্যাডমিনিস্ট্রেটর) নিয়োগের সুপারিশ করেছে। এ বিষয়ে একটি ফাইল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে সেটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য, প্রো-ভিসি ও ট্রেজারারের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকলে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থাকে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বয় ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

অনার্সের খাতা পুনঃমূল্যায়নে প্রতি পত্রে ১২০০ টাকা ফি, শিক্ষ…
  • ১৫ মে ২০২৬
মায়েদের শরীরে পুষ্টির অভাব, ব্রেস্টফিডিংও কম হচ্ছে
  • ১৫ মে ২০২৬
দুই মাসে ৬৩ হাজার ছাড়াল আক্রান্ত, অর্ধেকই ঢাকায়— মৃত্যু সাড়…
  • ১৫ মে ২০২৬
প্রেমিকের সঙ্গে পালাতে নিজের বাড়িতেই ডাকাতি করালেন প্রেমিকা
  • ১৫ মে ২০২৬
ঢাকাসহ ৯ জেলায় ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা
  • ১৫ মে ২০২৬
চৌদ্দ শতকের ঐতিহাসিক মসজিদকে মন্দিরের জায়গা বলে রায় দিল হাই…
  • ১৫ মে ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
21 June, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081