ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ © সংগৃহীত
ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের (ইউজিভি), বরিশাল, প্রথম সমাবর্তন আয়োজন করছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। আজ ১৮ই অক্টোবর বরিশাল বেলস পার্কে এই কনভেনশনটি অনুষ্ঠিত হবে। এতে উপস্থিত থাকবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক এস এম এ ফায়েজ।
রাত অনেক শিক্ষার্থীদের কনভেনশনের ভেন্যুতে দেখা যায়, তাদের কয়েকজন সাথে কথা বললে, তারা বলেন, আমার ভেন্যুর প্রস্তুতি কাজ সম্পূর্ণ করার জন্য রাতেও কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। দীর্ঘ নয় বছর পর আমাদের এই সমাবর্তন। এই সমাবর্তন ঘিরে আমাদের উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা একটু বেশিই। তাই আমরা আশা করি কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি না ঘটেই সমাবর্তনটি সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
অন্যদিকে কনভেনশনটি ঘিরে নানা বিতর্ক ও উঠে এসেছে, আওয়ামী মালিকানাধীন বেসরকারি ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজের কনভোকেশনের অনুমতি দেওয়ায় চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন চুপ্পুর কুশপুত্তলিকা পোড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয়রা এবং কনভোকেশন চলাকালীন কালো পতাকা দেখানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে।
ইউনিভার্সিটি অব গ্লোবাল ভিলেজ একটি বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ দ্বারা পরিচালিত হয়, যার নেতৃত্বে আছেন বর্তমান চেয়ারম্যান ড. ইমরান চৌধুরী। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আব্দুল বাকি, তার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন পরিচালিত হয়।
জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর বিশ্ববিদ্যালয়টির অনেক ট্রাস্টি পলাতক এবং পাস করেও হাজারো শিক্ষার্থী সনদ পায়নি এখনো। ওই সময় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা মালিকদের ভয়ে কনভেনশনের ও সনদের কথাও বলতে সাহস পেত না।
২০১৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি অনুমোদন পায়। পরবর্তীতে ২০১৭ থেকে কার্যক্রম শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়টি বর্তমানে ১০ বিভাগে অধীনে ১৪০ শিক্ষক এবং সংখ্যা ৩ হাজারের অধিক ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে।
প্রতিষ্ঠার ৯ বছর পেরোলেও এখনও নিজস্ব ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টি। বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে পৃথক ৩টি ভবন ভাড়া নিয়ে বর্তমানে অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
বরিশালের কাশিপুরের পাংশা এলাকায় স্থায়ী ক্যাম্পাসের জন্য ৩ একর জমি কেনা হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। দ্রুতই স্থায়ী ক্যাম্পাসে কার্যক্রম শুরু হবে বলে দাবি তাদের। অন্যদিকে স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকায় চাপা ক্ষোভ পরিলক্ষিত হয় শিক্ষার্থীদের মাঝে।