ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি © সংগৃহীত ছবি
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের সুষ্ঠু শিক্ষা ও আবাসিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে ছয় দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি শাখা। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সৌমিক আহমেদ অরণ্য ও সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো দাবিগুলো হলো:
১. রেজিস্ট্রেশন ও হল ফি একসাথে প্রদান শিক্ষার্থীদের জন্য কষ্টসাধ্য। তাই রেজিস্ট্রেশনের পর অন্তত ১ মাস সময় দিয়ে হল ফি প্রদানের সুযোগ দিতে হবে।
২. আবাসিক ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসরত শিক্ষার্থীদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বাসে যাতায়াতের সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
৩. নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে শিক্ষকদের পর্যাপ্ত সময় দিয়ে স্বচ্ছতা ও ন্যায়সংগত ফলাফল নিশ্চিত করতে হবে।
৫. হলের কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের দ্বারা শিক্ষার্থীদের অহেতুক হয়রানি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
৬. শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মধ্যে দূরত্ব কমাতে একটি ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এসব সমস্যা দ্রুত সমাধান হলে শিক্ষার্থীরা নিরাপদ ও মনোযোগী পরিবেশে একাডেমিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক ফেরদৌস বলেন, ‘একটি উদার-গণতান্ত্রিক, সাম্য ও মানবিক শিক্ষার্থী বান্ধব নিরাপদ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় ছাত্রদল প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আমাদের দাবিগুলো শুনে দ্রুত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছে। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। রেজিস্ট্রেশন জটিলতা নিরসন ও পরিবহন ব্যবস্থা সার্বজনীন করতে কাজ চলছে। বাকি দাবিগুলো নিয়েও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।‘ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আশাবাদী যে শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলোকে সম্মান জানিয়ে প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা নেবে। তবে যদি গড়িমসি করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে কঠোর কর্মসূচির মাধ্যমে দাবিগুলো আদায় করা হবে।‘
উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের হেনস্তার অভিযোগ ওঠে। এছাড়া অন্যান্য সমস্যাগুলো দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা দাবি জানিয়ে আসছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি যদি রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনগুলো তাঁদের পাশে থেকে এসব অধিকার আদায়ে ভূমিকা রাখে, তবে তা হবে আদর্শ অধিকার আদায়ের চর্চা।