ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সে বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় © সংগৃহীত
৫৩তম মহান বিজয় দিবস-২০২৩ উদযাপন উপলক্ষে ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের বনানী ক্যাম্পাসের অডিটরিয়াম হলে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এদিন এ কর্মসূচিতে সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশে নেন। বিজয় দিবস উপলক্ষে ব্যানার-পোস্টারে ক্যাম্পাসকে বর্নিল সাজে সজ্জিত করা হয়েছে।
আলোচনা সভায় রেজিস্ট্রার ক্যাপ্টেন মোবাশ্বের আলী খন্দকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোঃ মামুনুর রশীদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক ড. রওশন আরা আক্তার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সহকারী পরিচালক (এডমিন) অভিষেক রেজা প্রমিজ।
প্রধান অতিথি প্রফেসর ড. মোঃ মামুনুর রশীদ তার বক্তৃতায় একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণ ও কৃতিত্বের কথা উপস্থিত সকলকে স্মরণ করিয়ে দেন। তিনি বলেন, মহান বিজয় দিবস আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ও গুরুত্ববহ দিন। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ করার পর ১৯৭১ সালের আজকের এই দিনে বাঙালীর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ অর্জন বিজয় অর্জিত হয়।
তিনি একাত্তরের রণাঙ্গনে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বলেন, দেশ স্বাধীন হয়েছিল জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্য। জনজগণের এই অধিকার আদায়ে আমাদেরকেই সচেষ্ট থাকতে হবে।
মুক্তিযোদ্ধাদের কথা স্মরণ করে আলোচনা সভায় অন্যান্যদের মাঝে বক্তৃতা করেন সিএসই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. রওশন আরা আক্তার, ইইই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব অনির্বাণ সরকার, ব্যবসায় ও প্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাদিয়া শারমিন, জয়েন্ট নিউজ এডিটর, সাম্প্রাতিক দেশকালের জনাব জাফর উল্লাহ এবং ইংরেজী বিভাগের দুই জন ছাত্র-ছাত্রী।
মহান বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য নিয়ে আলোচনায় বক্তাগণ বাঙালীদের জীবনে মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। আজ বাংলাদেশ ও বাঙালির ‘বিজয় দিবস’ তাই অনন্য সমগ্র বিশ্বের কোনো জাতি এতো ‘দাম’ দিয়ে স্বাধীনতা বা মুক্তি সংগ্রামের বিজয় অর্জন করেনি। আলোচকগণ মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদ, বীরাঙ্গনা এবং জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোঃ মামুনুর রশীদ শান্তি আর ঊন্নয়নের পথে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সকলকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ থাকার গুরুত্বারোপ করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সকল শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়। বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে কেক কেটে সুখী সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠন, ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্সের উত্তরোত্তর উন্নতি ও অগ্রগতি কামনা করে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।