গবেষণার পাশাপাশি কারুকার্যেও সৃজনশীলতার ছাপ রেখে চলেছে শিক্ষার্থীরা: যবিপ্রবি উপাচার্য

২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫৭ PM
ড. মো. আব্দুল মজিদ

ড. মো. আব্দুল মজিদ © টিডিসি ফটো

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা গবেষণার পাশাপাশি কারুকার্যেও সৃজনশীলতার ছাপ রেখে চলেছে। আজকে আমাদের ছেলে মেয়েরা রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে আলপনা, পিঠা স্টল, পিঠা বানানোসহ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস সফলভাবে পালনে যে ভূমিকা রেখেছে তার জন্য অবশ্যই তারা প্রশংসার যোগ্য।

রবিবার (২৫ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বর্ণিল পথ আলপনা, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা ও কেক কাটা, পিঠা উৎসব, বিভিন্ন বিভাগীয় পিঠা স্টল ও আলপনা পরিদর্শন, পোস্টার প্রেজেন্টেশন, জুলাই কর্নার উদ্বোধন, দেশীয় লোকসংগীত পরিবেশন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও আমন্ত্রিত ব্যান্ড দলের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনাসহ নানা আয়োজনে মাধ্যমে পালন করা হয়েছে।

এদিন সকাল ১০টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ জাতীয় পতাকা এবং রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ড. এইচ. এম. জাকির হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের কর্মসূচির শুভসূচনা করেন। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রধান ফটক থেকে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হয়। শোভাযাত্রা শেষে আলোচনা সভা, বেলুন ওড়ানো ও কেক কাটার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন যবিপ্রবির উপাচার্য।

এরপর যবিপ্রবি উপাচার্য ও গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর সহ উপস্থিত অন্যান্য অতিথিবৃন্দ জুলাই কর্ণার উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে অতিথিদের সঙ্গে নিয়ে যবিপ্রবি উপাচার্য বিভিন্ন বিভাগের পিঠা উৎসবের স্টল, পথ আল্পনাসমূহ ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন পরিদর্শন করেন। স্টলগুলোতে নানা ধরণ, বাহারি আকৃতি ও ঋতু বৈচিত্র অনুযায়ী সুস্বাদু পিঠার পসরা দেখে সবাই চমৎকৃত হন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বলেন, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আকার ও বয়স অল্প হলেও এ বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। শিক্ষা ও গবেষণায় দেশের অনেক প্রবীণ বিশ্ববিদ্যালয়কে পেছনে ফেলে বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে সেরা বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে অত্যাধুনিক গবেষণাগার, আধুনিক আবাসন ব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার সুন্দর পরিবেশ এবং ক্রীড়া চর্চার জন্য দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জিমনেসিয়াম। 

দিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা ও ক্রীড়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমাদের জমি অধিকরণের বিকল্প নেই। ইতোমধ্যে আমরা জমি অধিগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) বরাবর ডিপি জমা দিয়েছি। এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণার উৎকর্ষ সাধনের লক্ষ্যে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের জমির যে চাহিদা আছে সরকার সেই চাহিদা পূরণ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

উপাচার্য বলেন, আজকে আমাদের ছেলে মেয়েরা রাত-দিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে আলপনা, পিঠা স্টল, পিঠা বানানোসহ বিশ্ববিদ্যালয় দিবস সফলভাবে পালনে যে ভূমিকা রেখেছে তাঁর জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা গবেষণার পাশাপাশি বিভিন্ন কারুকার্যেও সৃজনশীলতার ছাপ রেখে চলেছে এই বিশ্ববিদ্যালয় দিবস তারই উদাহরণ।

ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক ড. মো. রাফিউল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন গোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সোহেল হাসান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবি রিজেন্ট বোর্ডের সম্মানিত সদস্য অধ্যাপক ড. এইচ. এম. জাকির হোসেন, অধ্যাপক ড. মো. ওমর ফারুক, সহযোগী অধ্যাপক ড. মোছা. আফরোজা খাতুন, ডিনস কমিটির আহ্বায়ক ড. মো. কোরবান আলী, জীববিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এস. এম. নূর আলম সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান, দপ্তর প্রধানগণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. শাহনূর রহমান। বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অতিথি শিল্পীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।

উচ্চ শিক্ষার মাধ্যমে আধুনিক জ্ঞান চর্চা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০০৭ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের সাজিয়ালী মৌজায় ৩৫ একর জায়গা জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। বর্তমানে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আটটি অনুষদের অধীনে ২৭টি বিভাগ রয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এমফিল ও পিএইচডি পর্যায়ে প্রায় ৪ হাজার ২৩১ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত আছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকসহ মোট ৩৪৫ জন শিক্ষক, বিভিন্ন গ্রেডের ১৬২ জন কর্মকর্তা এবং ৩৪৪ জন কর্মচারী কর্মরত আছেন।

ঈদের ছুটিতে হাসপাতালগুলোকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৬ নির্দেশনা
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
সাংবিধানিকভাবে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারাবদ…
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
হচ্ছে না ফিনালিসিমা
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
অস্ট্রেলিয়ায় অ্যাসাইলাম আবেদন প্রত্যাহার করলেন ইরানের নারী …
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
চসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য দেড় কোটি টাকারও বেশি অনুদান …
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
ইবি শিক্ষিকা হত্যা: সহকারী অধ্যাপকসহ ৩ শিক্ষক-কর্মকর্তার বি…
  • ১৫ মার্চ ২০২৬
×
  • Application Deadline
  • April 1, 2026
  • Admission Test
  • April 4, 2026
APPLY
NOW!
UNDERGRADUATE ADMISSION
SUMMER 2026!
NORTH SOUTH UNIVERSITY
Center of Excellence