প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর © ফাইল ছবি
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, অনিয়ম ও কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতায় অভিযোগ উঠলেও এর কোনও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। দ্রুত নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করার জন্য কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসান।
আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসান দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘ফল প্রকাশের বিষয়ে এখনো নির্দিষ্ট কোনো তারিখ চূড়ান্ত করা হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো সম্পূর্ণ গুজব। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই ফল প্রকাশের লক্ষ্যে অধিদপ্তর কাজ করে যাচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘৩ জানুয়ারির নির্ধারিত পরীক্ষা ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই প্রায় সাত দিনের বিলম্ব হয়েছে। এ বিষয়ে মহাপরিচালক (ডিজি) স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন, যত দ্রুত সম্ভব ফল প্রকাশ করতে হবে। সে অনুযায়ী, অধিদপ্তর সার্বিক প্রস্তুতি ও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।’
এ কর্মকর্তা আরও বলেন, তার নাম ও স্বাক্ষর নকল করে বিভিন্ন স্থানে ভুয়া তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এমনকি সেখানে তার নামও ভুলভাবে লেখা হয়েছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে ফেসবুকে এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে বলে তিনি জানান।
আরও পড়ুন: প্রশ্নফাঁস অভিযোগের সত্যতা পেলে প্রাথমিক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবি এনসিপির
সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার ৭২ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত প্রশ্নফাঁসের কোনো সুনির্দিষ্ট বা বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ কেউ উপস্থাপন করতে পারেনি।’
বিএনপি চেয়ারপারসন ও তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিনদিনের রাষ্ট্রীয় শোক থাকায় গত ২ জানুয়ারি (শুক্রবার) সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে লিখিত পরীক্ষা ৯ জানুয়ারি (শুক্রবার) গ্রহণ করা হয়েছে। এর আগে থেকে প্রশ্নফাঁসসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠতে শুরু করে।