শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল প্রসঙ্গে যা বললেন প্রাথমিকের ডিজি 

১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:২৮ PM
আবু নূর মো. শামসুজ্জামান

আবু নূর মো. শামসুজ্জামান © ফাইল ছবি

প্রশ্নফাঁস, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন একদল নিয়োগপ্রত্যাশী। নিয়োগপ্রত্যাশীদের এ দাবি আমলে নিয়ে অভিযোগ তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে বলে জানা গেছে।

রবিবার (১১ জানুয়ারি) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসের সাথে আলাপকালে এ কথা জানান প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।

প্রাথমিকের ডিজি বলেন, পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগ পর্যন্ত ডিজিএফআই, এনএসআই, ডিবি, এসবি এবং জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে যে সকল প্রশ্ন উদ্ধার করা হয়েছিল, সেগুলোর সাথে আমাদের প্রশ্নের কোনো মিল ছিল না। তবে প্রশ্নফাঁসের চেষ্টা হয়েছে, এটা অস্বীকার করা যাবে না।’

আবু নূর মো. শামসুজ্জামান বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষায় নকলের চেষ্টা হয়েছে। এটি প্রশ্নফাঁস না। এই নকলের দায়ে ২০৭ জনকে বহিস্কার করা হয়েছে। অনেক জায়গায় মামলা হয়েছে, অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।’

পরীক্ষা বাতিলের দাবি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘চাকরিপ্রার্থীরা আমাদের কাছে পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। আমরা তাদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে বিষয়টি তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে। এর আগেও দুটি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছিল।’

এর আগে রবিবার বেলা ১১টার দিকে মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান ফটকে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন এক;ল চাকরিপ্রার্থী। এ সময় তারা নানান স্লোগানে পরীক্ষায় অনিয়ম, জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁস হয়েছে জানিয়ে বাতিলের দাবি জানান।

আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো হলো-
>> সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত পরীক্ষা নিতে হবে।

>> সকল চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় নিতে হবে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার রাখতে হবে।

>> স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করতে হবে এবং তার আওতায় সকল পরীক্ষা নিতে হবে। একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে না।

>> যেসব প্রতিষ্ঠানে বিগত সালে পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের রেকর্ড আছে, তাদের কোনোভাবেই প্রশ্ন প্রণয়ন করার দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।

>> প্রশ্নফাঁস হওয়ার তথ্য প্রমাণিত হলে জড়িত সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং প্রশ্ন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান প্রধানকে স্বেচ্ছায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে।

হুমায়ূন আহমেদের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান শহীদ স্মৃতি বিদ্যাপীঠে …
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
এসএসসি পাশ করলেন অভিনেত্রী ইসরাত অতিথি
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় তোপের মুখে ববি প্রশাস…
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
এইচপি ও ‘এ’ দলের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফি দেওয়ার সিদ্ধান্ত বিস…
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
পাঁচ হত্যা মামলায় নজরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে প…
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
সাবেক রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের ৫০০…
  • ১০ আগস্ট ২০২৬