ফেসবুক প্রচারণায় প্রতিমন্ত্রী, আচরণবিধি লঙ্ঘনে ওয়াকিবহাল নয় ইসি

১৮ জানুয়ারি ২০২০, ০৫:৫৯ PM

© সংগৃহীত

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুক নির্বাচনে প্রচারের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠছে। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা প্রচারের নানা খবর এখানে জানাচ্ছেন। এ নিয়ে সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে নিজ দলের প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তবে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) আইনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি সুবিধাভোগী ও প্রার্থীরা প্রচার চালাতে পারবেন কি না, তা স্পষ্ট করা নেই।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং ফ্যান পেজে আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী ফজলে নূর তাপস ও আতিকুল ইসলামের পক্ষে নৌকায় ভোট চেয়ে পোস্ট দেন। এ ছাড়া প্রার্থীদের প্রচারের কিছু পোস্ট শেয়ারও করেন।

এ ব্যাপারে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালাতে তিনি কোনো আইনগত বাধা দেখেন না। সরকারি কোনো মাধ্যম বা পেজ ব্যবহার করে প্রচার চালাচ্ছেন না, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট ও পেজ ব্যবহার করেছেন। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন থেকে যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো নির্দেশনা আসে, তা অবশ্যই মেনে চলব।’

তবে নির্বাচন কমিশনের আইনে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আচরণ বিধিমালায় বলা আছে, সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী নির্বাচন পূর্ব সময়ে নির্বাচনী এলাকায় প্রচার বা নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবেন না। তবে এতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিষয়টি উল্লেখ নেই।

আগামী ৩০ জানুয়ারি ঢাকার উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন। আওয়ামী লীগের উত্তরে প্রার্থী হয়েছেন আতিকুল ইসলাম এবং দক্ষিণে ফজলে নূর তাপস। বিএনপি থেকে উত্তরে তাবিথ আউয়াল এবং দক্ষিণে ইশরাক হোসেন প্রার্থী হয়েছেন। ১০ জানুয়ারি থেকে প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করেছেন। প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের চার প্রার্থীই ফেসবুকে নিজেদের প্রচারের ছবি, বক্তব্য শেয়ার করছেন।

এদিকে বিএনপির উত্তরের মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চেয়ে ইসিতে চিঠি দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি দেখেছি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনো নীতিমালা নেই। এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে যেকেউ প্রচার চালাতে পারবেন কি না- সে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানতে আমি কমিশনে চিঠি দিয়েছিলাম।’ ৭ জানুয়ারি চিঠি দিলেও ইসি থেকে এখনো কোনো উত্তর পাননি বলে জানিয়েছেন তিনি।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ইসির যুগ্ম সচিব আবুল কাসেম বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিষয় আমাদের আচরণবিধিতে লেখা নেই। তাবিথ আউয়ালের একটি চিঠি পেয়েছি। সেটা আমরা কমিশনের দিয়েছি জানার জন্য। কমিশন সিদ্ধান্ত দিলে এটা নিয়ে বলা যাবে।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহার প্রথম আসে ২০০৮ সালে। তখন স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও জাতীয় নির্বাচনে শামসুল হুদা কমিশন এ ব্যাপারে মৌখিক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। মন্ত্রী পদমর্যাদা বা সরকারি সুবিধাভোগী কেউই কোনো মাধ্যম ব্যবহার করে প্রচার বা ভোট চাইতে পারবে না বলে জানিয়েছিল ওই কমিশন।

ভোলায় ৮৯০ লিটার ডিজেল জব্দ, ব্যবসায়ীকে জরিমানা ৫০ হাজার
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী এলাকায় ৫ মন্দিরে সাড়ে ৬ কোটি টাকা …
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
সরকারি প্রাথমিকে মিড ডে মিলে শিক্ষার্থীরা পেল ‘পঁচা’ বনরুটি
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামে এনসিপি নেতৃবৃন্দের উপর হামলার প্রতিবাদ
  • ০৭ এপ্রিল ২০২৬
যশোর শিক্ষাবোর্ডে এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনার নীতিমালা প্রণয়ন
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ
  • ০৬ এপ্রিল ২০২৬
close