২০১৯-এ ডাকসুতে হেরে যাওয়া অন্য প্রার্থীদেরও ন্যায়বিচার পাইয়ে দিতে চান রাশেদ খাঁন

০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৪ PM , আপডেট: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৬ PM
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ খান

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ খান © সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০১৯ সালের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভূতাপেক্ষ সাধারণ সম্পাদক (জিএস) হিসেবে রাশেদ খানের নাম ঘোষণা করেছে ঢাবির সিন্ডিকেট কমিটি। এ ঘোষণার ওই নির্বাচনে প্রচুর অনিয়ম হয়েছে উল্লেখ করে বাকি প্রার্থীদেরও ন্যায়বিচার পাইয়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রাশেদ খান। 

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ডাকসুর ওই নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন। সেখানে ‍তিনি লেখেন, ‘২০১৯ সালে ডাকসু নির্বাচনে কারচুপির পর বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত তদন্ত কমিটির কাছে একমাত্র প্রার্থী হিসেবে আমি তথ্য প্রমাণসহ অভিযোগ দাখিল করেছিলাম। কিন্তু সেসময় আমি কোন সুরাহা পাইনি। যেকারণে আমি গণ-অভ্যুত্থানের পরে নিয়োগ পাওয়া উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ খান স্যার বরাবর ২০১৯ সালের অভিযোগের গ্রাউন্ডে পুনরায় অভিযোগ দাখিল করি। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সমন্বয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দেন। তদন্ত কমিটি কয়েক মাসের তদন্তের ভিত্তিতে তথ্য পায় যে, গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব অবৈধ এবং নির্বাচনে ব্যাপক জালিয়াতি ও অনিয়ম হয়েছে।’

নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ এনে তিনি আরও লেখেন, ‘যার প্রেক্ষিতে উক্ত কমিটি গোলাম রাব্বানীর এমফিলের ছাত্রত্ব ও ডাকসু পদ বাতিল করার সুপারিশ করে এবং পরবর্তীতে একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় তার ছাত্রত্ব বাতিল হয়। ছাত্রত্ব বাতিল হলে ডাকসু পদের বিষয়ে সিদ্ধান্তের জন্য উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমেদ খান স্যার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টার মতামত জানতে চান। আইন উপদেষ্টা হাইকোর্টের সিনিয়র আইনজীবীদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে মতামত দেন যে, যেহেতু গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল হয়েছে, সেহেতু ডাকসু পদ থাকার সুযোগ নেই এবং তিনি গোলাম রাব্বানীর ডাকসু পদ বাতিল করে বৈধ প্রার্থী হিসেবে আমাকে ২০১৯ সালের ডাকসুর জিএস ঘোষণা করার বিষয়ে মতামত প্রদান করেন। কিন্তু পরবর্তীতে জাতীয় নির্বাচনসহ উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ খান স্যারের দায়িত্বের পরিবর্তনসহ নানা কারণে বিষয়টি স্থবির হয়ে যায়। পরবর্তীতে নতুন প্রশাসন গঠিত হওয়ার পরে আমি পুনরায় ঢাবি উপাচার্য ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম স্যারের নিকট আবেদন করি। তিনি পুনরায় নতুন নিয়োগ পাওয়া আইন উপদেষ্টার কাছে দুই দফা মতামত জানতে চান। আইন উপদেষ্টার মতামতের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গোলাম রাব্বানীকে ২ বার কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করলে তিনি ( গোলাম রাব্বানী) স্বীকার করে নেন যে, তার ভর্তিতে অনিয়ম হয়েছে এবং তিনি এর দায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের উপর চাপিয়ে দেন ‘

বিরোধীদল তার ভূতাপেক্ষ জিএস ঘোষণার খবরে রাজনৈতিক আদর্শ জলাঞ্জলি দিচ্ছে দাবি করে তিনি আরও লেখেন, ‘গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট মিটিংয়ে বিষয়টি উত্থাপিত হলে সম্মানিত সকল শিক্ষক ও অন্যান্য সিন্ডিকেট সদস্যদের সম্মিলিত সিদ্ধান্তে গোলাম রাব্বানীর ছাত্রত্ব বাতিল ও আমাকে ২০১৯ সালের ডাকসুর জিএস ঘোষণা করা হয়। আমি আমার সম্মানিত ভোটারদের পক্ষ হয়ে লড়াই করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে ন্যায়বিচার পেয়েছি। এই বিজয় যারা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছিলো, তাদের বিজয়। কিন্তু যাদের কষ্ট পাওয়ার কথা,  তারা চুপ থাকলেও কষ্ট পাচ্ছে আমাদের বর্তমান বিরোধীদল! রাজনৈতিক কারণে আপনারা আমার সমালোচনা বা বিরোধিতা করতে পারেন, কিন্তু ন্যায়বিচার পাওয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক আদর্শের জলাঞ্জলি দিতে পারেন না।’

বাকি প্রার্থীদের ন্যায়বিচার পাইয়ে দেওয়ার সহায়তা করার ঘোষণা দিয়ে তিনি লেখেন, ‘পরিশেষে বলতে চাই, ভুক্তভোগী বাকি প্রার্থীরাও ন্যায়বিচার পাওয়ার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে যথাযথ প্রক্রিয়া অবলম্বন করে অভিযোগ দাখিল করলে আমিও তাদের পাশে থাকবো, ইনশাআল্লাহ।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বৈধতা যাচাইয়ে আইনি নোটিশ
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আইইউবির বিজনেস স্কুলের ডিন এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ পলিসি অ্য…
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোরে পাটের ফলন ভালো, দাম নিয়ে হতাশ কৃষক
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শুধু বুকে ব্যথা নয়, হার্ট অ্যাটাকের আগে দেখা দিতে পারে যেসব…
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডিপো ইনচার্জ নিয়োগ দেবে আদ্-দ্বীন ফার্মাসিউটিক্যালস, আবেদন …
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১০৮ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নেই প্রধান শিক্ষক, নৈশপ্রহরী ৭২টিতে
  • ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬