কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর © ফাইল ছবি
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিটিই) অধীন শিক্ষক বদলি কার্যক্রমের জন্য শূন্যপদের তথ্য দিয়েছে ১ হাজার ৪২১টি প্রতিষ্ঠান। অধিদপ্তরের অধীন কারিগরি প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ২ হাজারের বেশি। কয়েক দফায় সময় বাড়ানোর পর সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে শূন্যপদের তথ্য নেওয়া হয়েছে।
কারিগরি শিক্ষক বদলি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গত ৬ সেপ্টেম্বর থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোর শূন্যপদের তথ্য নেওয়া শুরু করে অধিদপ্তর। শুরুতে তথ্য দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১২ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা পর্যন্ত। তবে নির্ধারিত সময়ে অনেক প্রতিষ্ঠান তথ্য দিতে না পারায় পরে সময়সীমা বাড়ানো হয়। পরে ১৫ সেপ্টেম্বর সময়সীমা বাড়িয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা পর্যন্ত করা হয়েছিল।
জানা গেছে, শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে শুরু থেকেই বিভিন্ন সমস্যার কথা জানিয়ে আসছিলেন প্রতিষ্ঠান প্রধানরা। বিশেষ করে অনেক প্রতিষ্ঠানের ইমেইল ঠিকানা সফটওয়্যারে সঠিকভাবে যুক্ত না থাকা, ভুল ইমেইল ব্যবহার, লগইন ও ওটিপি-সংক্রান্ত সমস্যা এবং সফটওয়্যারে তথ্য প্রদানের জটিলতার কারণে অনেকে নির্ধারিত সময়ে তথ্য দিতে পারেননি।
এর ফলে অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এসব সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্য হালনাগাদের সুযোগ দেন। এ জন্য নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও সমস্যাগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে তথ্য দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়।
অধিদপ্তরের এমপিও শাখার এক কর্মকর্তা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘সময় শেষ হওয়ার পরও সার্ভার বন্ধ করা হয়নি। কারণ অনেক শিক্ষক দূর দূরান্ত থেকে সমাধানের জন্য এসেছিলেন। ফলে গতকাল (২১ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত শূন্য পদের তথ্য নেওয়া হয়েছে।’
এ সংক্রান্ত খবর: ইএফটিতে বেতন পেতে যেসব তথ্যের ভুলে ভোগান্তিতে শিক্ষক-কর্মচারীরা
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন বদলি নীতিমালা অনুযায়ী, শূন্যপদের তথ্যের ভিত্তিতেই শিক্ষক বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তাই সব প্রতিষ্ঠানের তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত বদলি কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব নয় বলে আগেই জানিয়েছিল অধিদপ্তর। ফলে সফটওয়্যারে কোনো প্রতিষ্ঠানের যে পদ ও বিষয়কে শূন্য হিসেবে দেখানো হবে, শিক্ষকরা বদলির আবেদনের সময় সেই তথ্যের ভিত্তিতেই পছন্দের প্রতিষ্ঠান ও পদ নির্বাচন করবেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, শূন্যপদের তথ্য সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ হওয়া বদলি কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে দফায় দফায় সময় বাড়িয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে তথ্য দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইমেইল ও সফটওয়্যার-সংক্রান্ত সমস্যাগুলোও সমাধান করা হয়েছে।
সর্বশেষ সোমবার পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২ হাজারের বেশি কারিগরি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১ হাজার ৪২১টি প্রতিষ্ঠান শূন্যপদের তথ্য দিয়েছে। এখন এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করে শিক্ষক বদলির পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে অধিদপ্তর।