পে-স্কেল © সংগৃহীত
নতুন পে স্কেল কার্যকর হলেও সেপ্টেম্বরের বেতন আপাতত বাড়ছে না সরকারি চাকরিজীবীদের। জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ অনুযায়ীই চলতি মাসের বেতন-ভাতা দেওয়া হবে। নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া শেষ হলে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন মাসের বকেয়া সমন্বয় করা হবে।
অর্থ বিভাগের এক জরুরি নির্দেশনায় এ বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের এ তথ্য জানানো হয়েছে। ফলে নতুন পে স্কেলের গেজেট জারি হলেও সেপ্টেম্বরের বেতন তাৎক্ষণিকভাবে নতুন হারে ছাড় করা হচ্ছে না।
নির্দেশনা অনুযায়ী, নতুন কাঠামোয় বেতন পেতে প্রথমে অনলাইন পে ফিক্সেশন সম্পন্ন করতে হবে। সরকারি চাকরিজীবীরা আইবাস প্লাস প্লাসে প্রবেশ করে নির্ধারিত ছকে প্রয়োজনীয় তথ্য দেবেন। তথ্য সাবমিট করার আগেই সিস্টেমে তাদের নির্ধারণযোগ্য নতুন মূল বেতন প্রদর্শিত হবে। এরপর পে ফিক্সেশনের তথ্য সংশ্লিষ্ট ডিডিও যাচাই করবেন। গেজেটেড কর্মকর্তাদের বেতন নির্ধারণী বিবরণী ডিডিও হিসাবরক্ষণ অফিসে পাঠাবেন। নন গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সার্ভিস বহিতে আগের চাকরি ও বেতনের তথ্য সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করার বিষয়টি নিশ্চিত করবেন ডিডিও।
পরবর্তী ধাপে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস অনলাইনে তথ্য যাচাই করে অনুমোদন করবে। অনুমোদনের পর সিস্টেম থেকে ভেরিফিকেশন নম্বর তৈরি হবে। এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত নতুন বেতনের ভিত্তিতে পরবর্তী বেতন পরিশোধ করা হবে।
অর্থাৎ জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসে পুরোনো স্কেলে পাওয়া বেতন এবং নতুন স্কেলে প্রাপ্য বেতনের মধ্যে যে পার্থক্য তৈরি হবে, তা বকেয়া হিসেবে বিবেচিত হবে। পে ফিক্সেশন শেষ হলে সেই বকেয়া আর্থিক সুবিধা হিসাব করে সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে।
গেজেট অনুযায়ী, কোনো কর্মচারীকে নতুন কাঠামোয় কম বা বেশি বেতন দেওয়া হলে পরবর্তী সময়ে তা সমন্বয় করা যাবে।
নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়নের এ ধাপকে ঘিরে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন বেতন কবে থেকে হাতে পাওয়া যাবে এবং তিন মাসের বকেয়া কীভাবে সমন্বয় হবে—এ নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে।