আসিফ নজরুল
ড. আসিফ নজরুল © সংগৃহীত
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে লিগ্যাল এইড আইনের সংশোধনের মাধ্যমে নেওয়া বিচারপূর্ব বিরোধ নিষ্পত্তি (প্রি-কেস মেডিয়েশন) কার্যক্রমের ইতিবাচক প্রভাব দেখা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তবর্তীকালীন সরকারের আইন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। বিচারব্যবস্থার জট কমাতে আইনের এই সংস্কারকে ‘অত্যন্ত যুগান্তকারী উদ্যোগ’ হিসেবে অবহিত করে তিনি জানান, এই ব্যবস্থার ফলে আইনগত সহায়তার আওতায় সরাসরি মামলা দায়েরের সংখ্যা বছরে গড়ে ৬২ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে আসিফ নজরুল লিখেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় আইন মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যে বহুমুখী বিচার বিভাগীয় সংস্কার কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছিল, তারই অংশ হিসেবে লিগ্যাল এইড আইনের আমূল পরিবর্তন আনা হয়। এ সংস্কারের মাধ্যমে মামলা দায়েরের আগেই বিরোধ নিষ্পত্তির পরিধি বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয় এবং নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে লিগ্যাল এইড অফিসের মাধ্যমে মধ্যস্থতা বাধ্যতামূলক করা হয়। প্রক্রিয়াটিকে দ্রুত ও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট পদে স্বাভাবিকের চেয়ে তিন গুণ বেশি বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
পাইলট প্রকল্প হিসেবে চালু হওয়া এই উদ্যোগটির সুফল বর্তমানে হাতেনাতে পাওয়া যাচ্ছে জানিয়ে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, বর্তমান আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান একজন দক্ষ আইনবিদ হিসেবে এই সংস্কারের পরিধি আরও সম্প্রসারণ করবেন। মামলাপূর্ব মধ্যস্থতা কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ ও ব্যাপকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের আদালতগুলোতে বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি ও জট উল্লেখযোগ্য হারে কমে আসবে।