‘তিনবার নয়, ৪ বারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খালেদা জিয়া’

১২ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৬ PM , আপডেট: ১২ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৮ PM
বেগম খালেদা জিয়া

বেগম খালেদা জিয়া © সংগৃহীত ও সম্পাদিত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া তিনবার নয়, চারবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বলে উল্লেখ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। আজ বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে শোকপ্রস্তাবকালে এমন বক্তব্য দেন তিনি। এ সময় বেগম খালেদা জিয়ার ৪ বারের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বক্তব্যের শুরুতেই স্পিকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আজকে মহান জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে আমার প্রায়ই মনে পড়ছে, এই সংসদ গঠিত হওয়ার পরে যিনি সবচেয়ে খুশি হতে পারতেন, তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। তিনি আজকে আমাদের মধ্যে নেই। দীর্ঘ ৪৫ বছরের বেশি আমি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহকর্মী হিসেবে, কখনও কর্মচারী হিসেবে, সংসদ সদস্য হিসেবে, কখনও মন্ত্রী হিসেবে, কখনও দলের নেতা হিসেবে তার ছায়াতলে ছিলাম। স্নেহের ছায়াতলে ছিলাম, নেতৃত্বে ছিলাম। অনেক আন্দোলন, অনেক সংগ্রাম, অনেক ত্যাগ-তিতীক্ষা। কিন্তু তার সাথে পৃথিবীর কোনো ত্যাগের তুলনা করা যায় না।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি এক সময় সামরিক স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন করতে করতে গণতন্ত্রকে অবমুক্ত করেছিলেন। সামরিক স্বৈরাচারকে হটিয়েছিলেন। খেতাব পেয়েছিলেন দেশনেত্রী। তখন আপোষহীন নেত্রী হিসেবে তিনি খেতাব পেয়েছিলেন। তারপরে গণতন্ত্রের যে যাত্রা ১৯৯১ সালে শুরু হল, তার হাত ধরেই এ দেশে পুনরায় সংসদীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছিল। তার হাত ধরেই এ দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার চালু হয়েছিল এবং তার হাত ধরেই এদেশে গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষার অগ্রগতি হয়েছিল অভূতপূর্ব।

বেগম খালেদা জিয়াকে ৪ বারের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, আজকে আপনারা অনেকেই এই শোকপ্রস্তাবে বলেছেন ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী, তিনি আসলে ৪ বার শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। ১৯৯১ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, তখন রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারের সময় একবার প্রধানমন্ত্রী হলেন। তারপর সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা চালু হওয়ার পরে তিনি আবার শপথ গ্রহণ করলেন, দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হলেন। তৃতীয়বার ১৯৯৬ সালে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন। চতুর্থবার ২০০১ সনে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন।

এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ‘অপরাজিতা’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এরকম আর কোনো নজির নাই, উপমহাদেশে আছে কিনা জানি না। যতবারই, যত আসনে তিনি নির্বাচন করেছেন, ততবারই তত আসনে তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আপোষহীন দেশনেত্রী হিসেবে খেতাব পেয়েছেন। বিগত সময়ে সামরিক স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অবিরাম সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তার নজিরবিহীন ত্যাগের নজির স্থাপন তিনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে খেতাব পেয়েছেন দেশনেত্রী এবং গণতন্ত্রের মা।

তিনি আরও বলেন, আজকের এই গণতন্ত্রের মা আজকে আমাদের মধ্যে নেই। কিন্তু তিনি আছেন বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের অন্তরে। সারা পৃথিবীর গণতন্ত্রকামী প্রত্যেক মানুষের অনুপ্রেরণা হিসেবে তিনি জীবিত থাকবেন তাদের অন্তরে। তিনি যদিও আমাদের মধ্যে শারীরিকভাবে নেই, গণতন্ত্রের অনুপ্রেরণা হিসেবে সারা পৃথিবীর মানুষের মধ্যে জীবিত থাকবেন, জাগরুক থাকবেন। তিনি আমাদের অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাবেন। তার সেই নেতৃত্ব, গণতন্ত্রের জন্য অপরিসীম ত্যাগ এবং সংগ্রামের কাহিনী আজীবন, বাংলাদেশের ইতিহাস যতদিন থাকবে ততদিন এদেশের মানুষ স্মরণ করবে।

সংসদের হেডফোনে কান থেকে মাথা পর্যন্ত ব্যথা করছে এমপি আরমান…
  • ১২ মার্চ ২০২৬
হরমুজ প্রণালি অঞ্চলে আরও ৬ জাহাজে হামলা
  • ১২ মার্চ ২০২৬
দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে চরফ্যাশনে বিএনপির দুই নেতাকে বহ…
  • ১২ মার্চ ২০২৬
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ-২০২৬ সংসদে উত্থাপিত
  • ১২ মার্চ ২০২৬
জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগ ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী খেলোয়ারের ব…
  • ১২ মার্চ ২০২৬
খালেদা জিয়াকে নিয়ে যে কবিতা লিখেছিলেন আল মাহমুদ 
  • ১২ মার্চ ২০২৬
×
ADMISSION
GOING ON
SPRING 2026
APPLY ONLINE
UP TO 100% SCHOLARSHIP
UNIVERSITY OF ASIA PACIFIC 🌐 www.uap.ac.bd
Last Date of Application:
22 April, 2026
📞
01789050383
01714088321
01768544208
01731681081