প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলে কারও কারও প্রতি দূর্বলতা দেখা গেছে : মির্জা আব্বাস 

০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৬:১৯ PM
ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস © টিডিসি

ঢাকা-৮ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, আমি শুনেছি সরকারের একটি মহল কয়েকজনের লিস্ট করেছে তাদের পাশ করাতে হবে। প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলে কারও কারও প্রতি দূর্বলতা দেখা গেছে। তিনি বলেন, কয়েকজন প্রার্থী বলছেন তারা জিতেই গেছেন। আবার সরকারের কেউ কেউ বলছেন তাদের সংসদে যাওয়া উচিত। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হচ্ছে। কিন্তু পক্ষপাতিত্ব হচ্ছে। এটি খারাপ। ভোট পাক বা না পাক তাদের সংসদে পাঠাবে। আজ শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কাকরাইলে গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন। 

মির্জা আব্বাস বলেন, আমরা বছরের পর বছর জেলে থেকেছি, বছরের পর বছর আন্দোলন করেছি। সেই আন্দোলনের পথকে আমরা সুগম করেছি। সুতরাং এককভাবে ২৪-এর দাবিদার কেউ নয়। কিন্তু এখন অনেকে এমনভাবে ভাবছে, কাজকর্ম ও কথা বলছে-যেন তারা দ্বিতীয়বার দেশ স্বাধীন করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমরা যুদ্ধ করেছি, কিন্তু কখনো বলিনি যে, আমাদের ক্ষমতা দিতে হবে, আমাদের মন্ত্রী বানাতে হবে। অথচ যারা তখন স্কুল-কলেজে পড়াশোনা করছিল, আজ তারাই নানা দাবি করছে। প্রমাণ স্বরূপ বলা যায়, বিগত দিনে কয়েক দিন আগেও সরকারের মধ্যেও তাদের প্রতিনিধিরা ছিল, এখনো আছে।

তিনি আরও বলেন, আমার ধারণা, আমরা যে সময় পার করে এসেছি, তার চেয়েও ভয়াবহ সময় সামনে আসছে। এই সরকার, কিংবা আগামী সরকার, কিংবা অন্তর্বর্তী সরকার-যে কেউই হোক না কেন, বিশ্বের কিছু প্রতিষ্ঠিত শক্তি আমাদের শান্তিতে থাকতে দেবে না। আপনারা ইতোমধ্যে বুঝতে পারছেন, একটি জোটের প্রার্থীদের কথাবার্তা ও কিছু রাজনৈতিক দলনেতার বক্তব্য শুনে মনে হচ্ছে তারা আগেই ক্ষমতায় বসে আছে। আসলে তারা ক্ষমতায় বসেই আছে। জামায়াতে ইসলামী এবং তাদের মদদপুষ্ট গোষ্ঠী এখন ক্ষমতায় রয়েছে। এখান থেকেই তারা ক্ষমতাকে নিয়ন্ত্রণ করছে এবং সেই ক্ষমতা ব্যবহার করে আগামী নির্বাচনকে নিজেদের মতো করে করতে চায়।

তিনি বলেন, আমি ১৯৭৮ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত নিয়মিত রমনা পার্কে যেতাম। সাত সালের পরে ওয়ান-ইলেভেন এলে সেখানে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবুও এলাকার মানুষের সুবিধা-অসুবিধার কথা ভেবেছি। আমি দেখেছি—একজন বয়স্ক মা বা বোন বাথরুমে যেতে চান, কিন্তু কোনো টয়লেট নেই। তখন বুঝেছি মানুষের মৌলিক প্রয়োজন কী। তাই আমি চারটি টয়লেট নির্মাণ করেছি, যাতে বৃষ্টি বা রোদে কষ্ট না হয়। গাছ কাটা হয়েছিল, আমি নতুন করে গাছ লাগিয়েছি। পানির সংকট ছিল, পানির ব্যবস্থা করেছি। ধুলাবালি কমাতে রাস্তায় নিয়মিত পানি ছিটানো হয়েছে। রমনা পার্ক একসময় ফুলে ভরা ছিল। চারদিকে ফুল দেখা যেত। এখন আছে কিনা জানি না, কিন্তু তখন সত্যিই সুন্দর ছিল।

এবার ঢাবি ছাত্রদলের আরেক নেতাকে বহিষ্কার
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
এখনও সময় আছে— সাংবাদিককে হুমকি জবি ছাত্রদল নেত্রী খাদিজার
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জামায়াতের ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কিশোরী ধর্ষণের পর হত্যা, নুরাসহ আরও দুজন গ্রেপ্তার
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দেশব্যাপী ধর্ষণ ও অরাজকতার প্রতিবাদে জাকসুর বিক্ষোভ
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছাত্রদলের শোকজের কারণ জানালেন হামিম
  • ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬