হঠাৎ নেতাকর্মীদের নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে মির্জা আব্বাস

১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:১৩ PM , আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:২১ PM
কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যাচ্ছেন মির্জা আব্বাস

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যাচ্ছেন মির্জা আব্বাস © সংগৃহীত

হঠাৎ নেতাকর্মীদের নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে আসেন ঢাকা–৮ আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস। আজ সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে তিনি রাজধানীর মতিঝিলে অবস্থিত গভর্নর ভবনে প্রবেশ করেন।

এ সময় তার সঙ্গে শতাধিক নেতাকর্মী ছিলেন। তারা নিরাপত্তাকর্মীদের বাধা উপেক্ষা করে ভবনের নিচতলায় প্রবেশ করেন। পরে চারজনের একটি ছোট দল নিয়ে মির্জা আব্বাস ভেতরে প্রবেশ করেন।

এসময় বাংলাদেশ ব্যাংকের ভেতরে গভর্নর ভবনের মূল ফটকের সামনে (সোনালী গেট) অনেক নেতাকর্মীকে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

ভেতরে ঢোকার পর মির্জা আব্বাস প্রথমে গভর্নর ভবনের তৃতীয় তলায় কিছু সময় অবস্থান করেন। প্রায় আধা ঘণ্টা পর, বের হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের ৩০ তলা ভবনে যান। তখনও তার সঙ্গে অনেক নেতাকর্মী ছিলেন। সঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনেক কর্মীদেরও দেখা যায়।

তিনি কী কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকে এসেছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তবে তার সঙ্গে থাকা একজন জানান, এটি ছিল নিয়মিত ব্যাংকসংক্রান্ত কাজ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক কেপিআইভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান। এখানে এভাবে দলবল নিয়ে আসার ঘটনা আগে দেখা যায়নি।

আরেক কর্মকর্তা জানান, ব্যক্তিগত বা ব্যাংক সংক্রান্ত কোনো কাজ থাকলে তিনি আসতেই পারেন। অতীতে অনেক বড় বড় রাজনৈতিক নেতা ও সরকারি ব্যক্তিরা এসেছেন। কিন্তু এভাবে অনেক লোক নিয়ে আসেননি, এটি উদ্বেগজনক বলে জানান তিনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, তিনি কেন এসেছেন তা এখনো জানা যায়নি। তবে প্রয়োজনে যে কেউই বাংলাদেশ ব্যাংকে আসতে পারেন। কিন্তু এভাবে অনেক লোক নিয়ে আসাটা ঠিক হয়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা–৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী হচ্ছেন মির্জা আব্বাস। তিনি আগে চারবার সংসদ সদস্য ছিলেন এবং একসময় ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্বও পালন করেছেন।

২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলী জোট সরকার গঠন করলে মির্জা আব্বাস গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হন। আগের মেয়াদে ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।

নির্বাচনী হলফনামা অনুযায়ী, সম্পদের তালিকায় রয়েছে ঢাকা ব্যাংকের ৫১ কোটি ৭৯ লাখ ৩৭ হাজার টাকার শেয়ার। রয়েছে ৩০ লাখ টাকার গহনা ও মূল্যবান ধাতু। মির্জা আব্বাসের বার্ষিক আয় ৯ কোটি ২৬ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।

পেশা হিসেবে ব্যবসা উল্লেখ করলেও ব্যবসা থেকে কোনো আয় নেই মির্জা আব্বাসের। বার্ষিক সোয়া ৯ কোটি টাকার বেশি আয়ের পুরোটাই আসে বাড়ি ভাড়া, এফডিআর, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানতের সুদ থেকে। তার ছেলে ইয়াসির আব্বাস বর্তমানে ঢাকা ব্যাংকের পরিচালক।

সরকার বিধবা কার্ড চালু করলে এমপির বউ আগে নেবে: হাসনাত
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬
হান্ড্রেড, আউট, ডিক্লেয়ার
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬
৭ টন ইলিশ জব্দ করে ২৫টি এতিমখানায় বিতরণ করল উপজেলা মৎস্য অ…
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬
যন্তর-মন্তরে সভা সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬
ইমার্জেন্সি ব্যালান্স ৫০০ টাকা! নিতে চাইলে ফি কত?
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬
ডিগ্রি ২য় বর্ষ পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ, ৮ নির্দেশনা
  • ১২ অক্টোবর ২০২৬