২২ মামলায় খালাস ও ১৩টিতে অব্যাহতি, খালেদা জিয়ার নির্বাচনী হলফনামায় যা আছে

৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:৪৩ PM , আপডেট: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:০১ PM
খালেদা জিয়া

খালেদা জিয়া © সংগৃহীত

ওয়ান-ইলেভেনের পর থেকে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মোট ৩৫টি মামলা করা হয়। তার মধ্যে ২২টি মামলায় খালাস ও ১৩টি মামলায় অব্যাহতি পেয়েছিলেন তিনি। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ফেনী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার মনোনয়নপত্রের সাথে দাখিল করা হলফনামায় এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, মামলাগুলোতে দুর্নীতি, মানহানি, রাষ্ট্রদ্রোহ, হত্যা, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ, বোমা হামলা, মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের নিয়ে কটাক্ষ, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, ‘মিথ্যা’ জন্মদিন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতিসহ বিভিন্ন অভিযোগ আনা হয়েছিল। এসব মামলার মধ্যে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বাকি মামলাগুলোর বিচার চলমান ছিল। জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাজার রায় ঘোষণার পর ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঠানো হয় কারাগারে। সাজা ভোগ করেন দুই বছর এক মাস ১৬ দিন।

এরপর করোনাকালে আওয়ামী লীগ সরকার তার সাজার কার্যকারিতা স্থগিত করে। শর্তসাপেক্ষে কারামুক্তি দিয়ে বাসায় থাকার সুযোগ দেওয়া হয় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে। তবে বয়সজনিত কারণে শারীরিক নানা জটিলতায় আক্রান্ত হলেও বারবার আবেদনের পরও তাকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ দেওয়া হয়নি। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এসব রাজনৈতিক মামলা থেকে একে একে খালাস পেতে শুরু করেন তিনি। 

হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা যায়, বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলাগুলোর মধ্যে ২০০৭ সালে ২টি, ২০১০ সালে ১টি, ২০১৩ সালে ১টি, ২০১৪ সালে ২টি, ২০১৫ সালে ১৬টি, ২০১৬ সালে ১০টি, ২০১৭ সালে ২টি, ২০২৪ সালে ১টি মামলা দায়ের করা হয়। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে সবকয়টি মামলা নিষ্পত্তি হয়।

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও কুমিল্লা, খুলনা, নড়াইল ও পঞ্চগড়ে আওয়ামী লীগ সরকারের নেতাকর্মীরা বাদী হয়ে এসব মামলা করেন। পরে সব মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তার আইনজীবীরা।

এ ব্যাপারে ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলাল বলেন, শেখ হাসিনা ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে বেগম খালেদা জিয়াকে বিভিন্ন মামলা দিয়ে গায়েল করার চেষ্টা করেছে। বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল মামলা ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক। তিনি ঢাকায় অবস্থান করলেও চৌদ্দগ্রামে গাড়িতে হামলার মামলা দিয়েছেন। মিথ্যা মামলায় তিনি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। ওই সময় নানা শারীরিক অসুস্থতা ভুগলেও তাকে চিকিৎসা নিতে দেওয়া হয়নি। আজ এ মৃত্যুর পেছনে ওইসব কারণগুলোও দায়ী।

সময় শেষ হলেও লাইনে দাড়াঁনো ব্যক্তিদের ভোটগ্রহণ চলবে, তবে...
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ভোট ডাকাতি হলে মির্জা আব্বাসের ‘রাজত্ব খানখান’ করে দেব: নাস…
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ছেলের কোলে ভর করে ভোটকেন্দ্রে ৮৫ বছরের বৃদ্ধ
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আগামী কয়েক ঘণ্টা সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন: নাহিদ ইসলাম
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাল ভোট দিতে এসে চার নারী আটক
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
তিন বাহিনীর প্রধানের কে কোথায় ভোট দিলেন
  • ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
X
APPLY
NOW!