স্পোর্টিং ক্লাবের সদস্যদের নিয়েই এনসিপির কমিটি দেওয়ার অভিযোগ

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:১৬ AM , আপডেট: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:৪২ AM
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) © টিডিসি ফটো

সাকলাইন এগ্রো ফার্ম অ্যান্ড স্পোর্টিং ক্লাবের সদস্যদের নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার সমন্বয় কমিটি গঠিত হয়েছে—এমন অভিযোগ উঠেছে। কমিটিতে ফার্মের স্বত্বাধিকারী সাকলাইন আহম্মেদ যুগ্ম সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পেয়েছেন। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সামনের সারিতে থাকা অনেককে স্থান না দেওয়ায় কমিটি নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক।

গত ৪ জুন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন ও দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর স্বাক্ষরে অনুমোদিত এই কমিটিতে স্পোর্টিং ক্লাবের মাহি ভুঁইয়া যুগ্ম সমন্বয়কারী হিসেবে আছেন। এছাড়া রিয়াদ হোসেন, আল আমিন হোসেন রকি, মশিউর রহমান মাহিন, রনি হোসেন, ফরহাদ হোসেন ও মাসুদ রানা সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, কমিটির জন্য নাম সংগ্রহ করেছিলেন আন্দোলনের সম্মুখ সারির কয়েকজন কর্মী। তবে শেষ পর্যন্ত সাকলাইন ও তাঁর সহযোগীরা প্রভাব খাটিয়ে নিজেদের পছন্দের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। স্থানীয়ভাবে তাঁদের বিরুদ্ধে নানা সময়ে অরাজকতা, মারধর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও রয়েছে।

এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, ‘সাকলাইন ভাই আন্দোলনের সময় ছিলেন না। আমরা চেয়েছিলাম আমরা যাব এই কমিটিতে। কিন্তু দাপট দেখিয়ে উনি ওনার ক্লাবের সদস্যদেরই বসালেন। এখন এই নাম ব্যবহার করে এলাকায় নানা অরাজকতা করছেন।’

এমনকি নাম দেওয়ার জন্য অনেকে অনুরোধ করলেও গ্রামবাসীর অনাগ্রহের কথাও উঠে এসেছে। স্থানীয় দোকানদার মো. বিল্লাল জানান, তাঁকে কমিটিতে পদ নিতে বলা হয়েছিল, তবে তিনি অস্বীকার করেন।

আরও পড়ুন: ‘চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী’ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের আরেকটি একপেশে জয়?

এলাকাবাসীর দাবি, এনসিপির পদ পাওয়ার পর থেকে সাকলাইন, মাহি, কামরুজ্জামানসহ কয়েকজন এলাকায় নানা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন। এর আগেও পাওনা টাকা নিয়ে ভাংচুরের ঘটনায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এছাড়া সাকলাইনের এগ্রো ফার্মে নিয়মিত মাদক ও জুয়ার আসর বসে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। যদিও এসব বিষয়ে সাকলাইনকে ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজেকে অস্বীকার করেন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে সাকলাইনের সাথে এনসিপির প্যাডে দেওয়া নাম্বার থেকে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি। পরবর্তীতে কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করা হলে একজন মহিলা কলটি রিসিভ করে কথা না বলে কন্ঠ পরিবর্তন করে ‘হ্যালো, হ্যালো’ করতে থাকেন। এরপর আবার চেষ্টা  করা হলে কেউ একজন ফোন রিসিভ করে বলেন আমি সাকলাইন না। এনসিপির প্যাডে এই নাম্বার দেওয়া ছিল বলার পর তিনি বলেন,  আপনি যাকে খুঁজছেন আমি সে না।

অভিযোগের বিষয়ে মাহি ভুঁইয়া বলেন, ‘এমন ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। কেউ প্রমাণ দিতে পারলে প্রমাণসহ আমার সঙ্গে বসুক।’

এনসিপির কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক ও কুমিল্লা অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক নাবিদ নওরোজ শাহ বলেন, ‘নিবন্ধনের জন্য তড়িঘড়ি করে কমিটি দেওয়া হয়েছে। যাচাই-বাছাই করার সুযোগ ছিল না। যদি কোনো অভিযোগ পাই, অবশ্যই ব্যবস্থা নেব।’

‘ছোট ছোট মেয়েরা প্রেমিক নিয়ে কক্সবাজারে হোটেলে চলে আসে, রুম…
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
মানিকগঞ্জে তিন সড়কের উন্নয়নকাজের উদ্বোধন করলেন খাদ্যমন্ত্…
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
নদী বাঁচাতে শুধু খনন নয়, চাই সমন্বিত পরিকল্পনা
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় গাঁজা প্রস্তুতের ভিডিও …
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রতিষ্ঠার দুই দশক পরও অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন নেই নজরুল বি…
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬
গত ৪ মাসে ৫ শিক্ষার্থীকে হারিয়ে শোকে মাতম মাভাবিপ্রবি
  • ২৪ অক্টোবর ২০২৬