ছাত্রদল করায় পরিবার থেকে আমাকে ত্যাজ্য করা হয়: সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি শ্রাবণ

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:০৭ PM , আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১০:১২ PM
সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শ্রাবণ

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শ্রাবণ © সংগৃহীত

ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ বলেছেন, ছাত্রদল করায় পরিবার থেকে আমাকে ত্যাজ্য করা হয়। পরিবারের কোনো সদস্যের সঙ্গে আমার যোগাযোগ নেই। আজ রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে যশোরের কেশবপুর প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন। এসময় নিজেকে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে ঘোষণা করেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির এই সদস্য।

শ্রাবণ বলেন, দীর্ঘ এক যুগ পর কেশবপুরের মাটি ও মানুষের সেবা করার জন্য এসেছি। কেশবপুরের মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশে আমি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করি। কেশবপুরের উন্নয়নে নিজেকে নিয়োজিত রাখতে সাংবাদিকসহ সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

তিনি বলেন, ২০১৯ সালে যখন আমি ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের কাউন্সিলে অংশ নিই, তখন আমার পরিবার থেকে আমাকে ত্যাজ্য করা হয়। আমার পরিবারের কোনো সদস্যের সঙ্গে আমার যোগাযোগ নেই, শুধু আমার গর্ভধারিণী মায়ের সঙ্গে আমার কথা হয়। এ বিষয়ে আমার পার্টিও অবগত। আমার পরিবারে যারা রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত, তাদের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক আমার নেই।

আরও পড়ুন: জানাজায় অংশ নিতে যাচ্ছিলেন কলেজ শিক্ষার্থী, বাসের ধাক্কায় ফিরলেন লাশ হয়ে

এর আগে দীর্ঘ এক যুগ পর গতকাল শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) শ্রাবণ নিজ এলাকা কেশবপুরে আসেন। তার বাড়ি উপজেলার সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের চিংড়া গ্রামে। তার আগমনে হাজার খানেক মোটরসাইকেল ও যানবাহনযোগে স্বাগত জানান বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার সময় শ্রাবণ ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। আওয়ামী লীগ নেতার ছেলের বিএনপির রাজনীতি করার বিষয়টি তার বাবাও ভালোভাবে নেননি। এ কারণে ছেলের সঙ্গে ছিন্ন করেন সম্পর্ক। ছাত্রদল করার কারণে দেড় দশকের বেশি সময় ধরে শ্রাবণের পরিবার যোগাযোগ রাখেনি তার সঙ্গে। তিনিও দীর্ঘদিন বাড়িতে যান না। এমনকি পারিবারিক কোনো অনুষ্ঠানেও অংশ নেন না তিনি।

আরও পড়ুন: বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি, ফিলিপাইনে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার বাজেয়াপ্ত

শ্রাবণ কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলামের ছোট ছেলে। তার বড় ভাই কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান।

মেজ ভাই কাজী মুজাহিদুল ইসলাম পান্না উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক। তিনি গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। সেজ ভাই কাজী আজহারুল ইসলাম মানিক উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক।

ট্রাম্পের ঘোষণা: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনি নিহত
  • ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের ওপর ট্রাম্পের হামলা: তার পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে বড় জু…
  • ০১ মার্চ ২০২৬
খামেনিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের, ইরানের দাবি জীবিত আছেন; দৃঢ়…
  • ০১ মার্চ ২০২৬
চরফ্যাশনে দায়িত্বরত অবস্থায় পুলিশ কর্মকর্তার আকস্মিক মৃত্যু
  • ০১ মার্চ ২০২৬
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ‘বেঁচে নেই': নেত…
  • ০১ মার্চ ২০২৬
শীর্ষ নেতাদের নিয়ে কনফিউজড, মধ্যপন্থী রাজনৈতিক দল গড়ার ঘোষণ…
  • ০১ মার্চ ২০২৬