জামায়াতের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক, আলোচনায় কী উঠে এল?

২১ জুলাই ২০২৫, ১১:৩৭ PM , আপডেট: ২২ জুলাই ২০২৫, ০২:০৭ PM
জামায়াত নেতাদের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

জামায়াত নেতাদের সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বৈঠক © সংগৃহীত

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি এ্যান জ্যাকবসন। সোমবার রাজধানীর মগবাজারে দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকের প্রথমবারের মতো ছিলেন জামায়াতের নারী নেতারাও। সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে মগবাজার দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

জানা গেছে, মার্কিন রাষ্ট্রদূত জামায়াতের নেতাদের কাছে  বাংলাদেশ সম্পর্কে বিশেষ করে রিফর্মস, নির্বাচনের প্রস্তুতি এবং কোনো সিকিউরিটি থ্রেট আছে কি না? এ অঞ্চলে যে সিকিউরিটি থ্রেট আছে সে ব্যাপারে জামায়াতের স্ট্যান্ডিং জানতে চেয়েছেন।

এ বিষয়ে নায়েবে আমির সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, আমরা ক্লিয়ার বলে দিয়েছি যে, আমরা একটা ফেয়ার ইলেকশন চাচ্ছি। আমরা বেসিক রিফর্মস চাই। বাংলাদেশে আর যেন কোনো দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজির রাজনীতি ফিরে না আসে সে ব্যাপারে আমরা জিরো ভূমিকায় আছি। আমরা করাপশন ফ্রি একটা বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমাদের অলওয়েজ ডেমোক্রেসির পক্ষে স্ট্যান্ডিং রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা এটাও বলেছি যে, আমাদের ফরেন পলিসি হলো সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং কারও সাথে শত্রুতা নয়। একটা জেনারেশনাল স্ট্যান্ডার্ড অব থিউরি এবং থিম যেভাবে কাজ করে, আমরা সেভাবেই কাজ করতে চাই—উইথ মিউচুয়াল রেসপেক্ট আন্ডারস্ট্যান্ডিং অ্যান্ড কমিউনিকেসন্স। আমরা এটাও বলেছি যে, সকল নেইবরিং কান্ট্রির সঙ্গে কনজেনিয়াল এটমোসফিয়ার-এ গুড নেইবারহুড-এর যে প্রিন্সিপল অ্যান্ড পলিসি আছে উইথ সিকিউরিট অ্যান্ড রাইটস আমরা সেটাতে বিশ্বাস করি। মৌলিকভাবে এ কয়েকটি বিষয়ের ওপর আলোচনা হয়েছে।

জামায়াতের নায়েবে আমির বলেন, এটাও আলোচনা হয়েছে যে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক আরও বেটার হবে এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে আগেও তারা কাজ করেছেন এবং আগামীতে আরও বেশি ক্লোজলি তারা কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। আমিরে জামায়াত একটি বিষয় তাদের বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন, সেটা হলো ট্যারিফ সম্পর্কে। আমেরিকা আমাদের ব্যবসার ওপর ৩০ শতাংশ ট্যারিফ বসিয়ে দিয়েছে; যেটা আমাদের দেশের স্পেশালি গার্মেন্টস সেক্টরকে সাংঘাতিকভাবে অ্যাফেক্ট করবে। জামায়াত আমির রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট এবং গভর্নমেন্টকে স্পেশাল অনুরোধ করেছেন, এ ব্যাপারে যেন কনসিডার করেন যাতে ট্যারিফ কমিয়ে দিয়ে একটা সহনীয় পর্যায় এনে বাংলাদেশের গার্মেন্টস এবং অন্যান্য এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড যেসব গুডস আছে সেগুলো আমরা অব্যাহত রাখতে পারি।

এ সময় জামায়াত নেতাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন নায়েবে আমির সাবেক এমপি ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল, কেন্দ্রীয় মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান অঅ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের সহকারী সেক্রেটারি সাইদা রুম্মান, মহিলা বিভাগের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য প্রফেসর ডা. হাবিবা চৌধুরী সুইট, কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মজলিসে শূরা সদস্য, সাবেক সংসদ সদস্য ডা. আমিনা রহমান, আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।   

কবে প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা? জানাল ইসি
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
ঢাবিতে পানি-বিদ্যুতের অপচয় রোধে ছাত্রদলের সচেতনতামূলক কর্মস…
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ—এখন কী হবে?
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
১৯৭০ এর দশকের জ্বালানি তেল সংকটের সময় কী হয়েছিল?
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
৪ সিটি কর্পোরেশনে বিশেষ গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬
শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে পুরস্কারের ঘোষণা প্রতিমন্ত্…
  • ১২ এপ্রিল ২০২৬