ভারতের যোধপুর মিউনিসিপাল কর্পোরেশনের ঝাড়ুদার ছিলেন আশা। এর পর অ্যাডমিনিসট্রেটিভ পরীক্ষায় পাশ করে ডেপুটি কালেক্টর হতে চলেছেন তিনি। শিগগিরই সম্মানজনক এ পদে যোগ দেবেন তিনি।
জানা গেছে, আট বছর আগে আশার স্বামী তাকে ছেড়ে চলে যায়। দুই সন্তানের জননী আশা নিজেই ধরেন সংসারের হাল। পাশাপাশি চালিয়ে যাচ্ছিলেন নিজের পড়ালেখাও। ২০১৯ সালে রাজস্থান অ্যাডমিনিসট্রেটিভ পরীক্ষা দেন। দুই বছর পর ফল প্রকাশ করা হয়। সেখানে পাশ করেছেন আশা।
আশা জানান, স্বামীর সাথে বিচ্ছেদের অওর ভেঙে পড়েননি তিনি। বাবার বাড়িতে বেশিদিন বসে বসে খেতে চাননি তিনি। সেজন্য ২০১৯ সালে যোধপুর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে ঝাড়ুদারের চাকরি নেন।
তিনি আরও জানান, এমন সফলতায় আমি খুব খুশি। এর পুরো কৃতিত্ব আমার পরিবারের। কোনো বাধাই নারীকে দমিয়ে রাখতে পারেনা বলেও জানান আশা।