সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের কল্যানে রাতারাতি সেলিব্রিটি হয়ে যাওয়া রানু মণ্ডলের জীবনে ফের অভাব দেখা দিয়েছে। অনাহারে দিন কাটছে তার। অথচ কিছুদিন আগেও করোনার দুর্যোগে দাঁড়িয়েছিলেন অসহায় মানুষদের পাশে। নিজের এলাকার গরিবদের মাঝে চাল, ডাল বিতরণ করেছেন তিনি।
ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে জানা যায়, এখন প্রতিদিন দু’বেলা পেট ভরে খেতেই রীতিমতো সমস্যায় পড়তে হচ্ছে রানু মণ্ডলকে। আগের মতোই অনাহারে দিন কাটছে তার। মাঝেমধ্যে চিঁড়ে মুড়ি খেয়ে দিন কাটাতে হচ্ছে।
স্থানীয়রা যদি মাঝেমধ্যে চাল ডাল দেন তাহলে কোন কোন দিন চলে যায়। কিন্তু না খেয়ে পুরো দিনও থাকতে হচ্ছে রানু মণ্ডলকে। করোনার আবহে সেভাবে কেউ খোঁজ নিতে আসে না হঠাৎ করে পরিচিত হয়ে যাওয়া এই গায়িকাকে।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের আগাস্ট মাসে রানুর একটি গান রাতারাতি ভাইরাল হয়। দেখা যায়, রানাঘাট স্টেশনে ভিখারিনীর বেশে বসে গান গাইছেন রানু। সেই ভিডিও ভাইরাল হতেই অনেকেই তাকে লতাকণ্ঠীর তকমাও দেন। রাতারাতি ভাইরাল হয়েই সোজা মুম্বাই পাড়ি দিয়েছিলেন তিনি।
সেখানেই হিমেশ রেশমিয়ার নজরে পড়ে যান রানাঘাটের এই গায়িকা। হিমেশ ‘হ্যাপি হার্ড অ্যান্ড হীর’ ছবিতে একটি গান গাওয়ার প্রস্তাব দেন রানু মণ্ডলকে। হিমেশের সুরে রানুর গলায় তেরি মেরি কাহানি গানটির এক লাইন শুনেই মুগ্ধ হয়েছিলেন নেটিজেনরা।