করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা। এটি মেনে চলার প্রতি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও। তবে এল সালভাদরের কারাগারে বন্দীদের রাখা হচ্ছে তার তোয়ক্কা না করেই। আর তাতে করোনা সংক্রমণের ঝুাকির মধ্যে রয়েছেন বন্দীরা।
আলজাজিরা জানায়, কারাগার চত্ত্বরে জড়ো করে বন্দীদের একসঙ্গে বেঁধে রাখার কিছু ছবি প্রকাশ পেয়েছে। তাদের মুখে মাস্ক থাকলেও সারিবদ্ধভাবে গা ঘেঁষাঘেঁষি করে বসিয়ে রাখা হয়েছে তাদের। এতে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি এল সালভাদরে ২০ জনের বেশি খুনের ঘটনা ঘটলে শুক্রবার দেশটির প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলে কারাগারে অভিযানের নির্দেশ দেন। গোয়েন্দা সূত্রে তিনি জানতে পারেন, কারাগারের ভেতর থেকেই ওই হত্যাকাণ্ডগুলো ঘটানোর নির্দেশ গেছে।
কারাগারগুলোতে অভিযানে সময় বন্দীদের সঙ্গে এমন আচরণে অবাক হয়েছেন মানবাধিকার কর্মীরা। এমন কর্মকাণ্ডে বিপুলসংখ্যক বন্দী আক্রান্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করেছে তারা।
শুধু এলদসালভদরেই নয় ল্যাটিন আমেরিকার অনেক দেশেই বন্দীরা করোনা ঝুঁকিতে রয়েছে। চিলিতে অবস্থিতি ওই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় কারাগার দ্য পুনেতে আলতোতে করোনা ছড়িয়ে পড়েছে ইতিমধ্যে। ৩০০ এরও বেশি বন্দী আক্রান্ত হয়েছে।
সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি পেরুতে। দেশটিতে ৬১৩ জন বন্দী আক্রান্ত হয়েছে, এর মধ্যে মারা গেছে ১৩ জন। এদিকে সংক্রমণ রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে ডমিনিকান রিপাবলিক। দেশটি সাড়ে ৫ হাজারের অধিক বন্দীকে করোনা টেস্ট করিয়েছে। যার মধ্যে ২৩৯ জনের পজিটিভ এসেছে।