গাজায় মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষ শুরু

২৩ আগস্ট ২০২৫, ১২:৩০ PM , আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০২৫, ০৮:৪২ AM
গাজায় মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষ

গাজায় মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষ © সংগৃহীত

গাজা সীমান্তের বাইরে শতশত ত্রাণবাহী ট্রাক থাকলেও গাজা সিটি ও তার আশে-পাশে এলাকায় মানবসৃষ্ট দুর্ভিক্ষ শুরু হয়েছে । জাতিসংঘের  দুর্ভিক্ষ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্ল্যাসিফিকেশন (আইপিসি) জানিয়েছে, বর্তমানে গাজায় ৫ লাখের বেশি মানুষ অনাহার ও মৃত্যুর মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি সর্বোচ্চ ধাপ ফেজ-৫-এ পৌঁছেছে।

সংস্থাটি এক প্রতিবেদনে, এই দুর্ভিক্ষকে ‘সম্পূর্ণরূপে মনুষ্যসৃষ্ট’ এবং গাজা উপত্যকায় খাদ্য প্রবেশে সাহায্য সংস্থাগুলিকে ইসরায়েলের ‘পদ্ধতিগত বাধা’ দেওয়ার জন্য অভিযুক্ত করেছে। আইপিসি আরও জানিয়েছে, গাজা সিটি অঞ্চলে বসবাসকারী লোকেরা "ক্ষুধা, দারিদ্র্য এবং মৃত্যুর" দুর্ভিক্ষের পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছে। তারা আশংঙ্কা করছেন, যে হারে  দুর্ভিক্ষ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ,তাতে সেপ্টেম্বরে গাজার বাকি অংশে দুর্ভিক্ষ ছড়িয়ে পড়বে।

গাজার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত অপুষ্টিতে অন্তত ২৭২ জন মানুষ মারা গেছে, যার মধ্যে ১১২ জন শিশু। আইপিসি সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, যদি জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়া না হয়, তবে দুর্ভিক্ষের কারণে মৃত্যু আরও বেড়ে যাবে।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহূ বারবার গাজায় দুর্ভিক্ষের কথা অস্বীকার করেছেন এবং দুর্ভিক্ষের দায় সাহায্য সংস্থা এবং হামাসের ওপর দিয়েছেন। ইসরায়েল জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সাহায্য সংস্থাগুলিকে গাজার সীমান্তে অপেক্ষারত ত্রাণ না দেওয়ার অভিযোগ করেছে, শত শত ট্রাক অলস পড়ে থাকার দিকে ইঙ্গিত করেছেন।

জাতিসংঘের মানবিক সহায়তা প্রধান টম ফ্লেচার বলেছেন, এই দুর্ভিক্ষ সম্পূর্ণভাবে ঠেকানো সম্ভব ছিল, কিন্তু ইসরায়েলের ‘পরিকল্পিত বাধা’র কারণে ফিলিস্তিনে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছানো যায়নি। একই কথা বলেছেন জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) প্রধান ফিলিপ লাজারিনি এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার-বিষয়ক প্রধান ভলকার তুর্ক।

ইসরায়েল সম্প্রতি আকাশপথে মানবিক সহায়তা সরবরাহ শুরু করেছে। তবে ত্রাণ সংস্থাগুলো ইসরায়েলের এ প্রক্রিয়াকে একটি ‘বিভ্রান্তিকর কৌশল’ হিসেবে সমালোচনা করেছে। এই ত্রাণ কার্যক্রমের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে; কারণ, মাটিতে পড়া প্যালেট থেকে সাধারণ মানুষ আহত ও নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরায়েল প্রতিদিন প্রায় ৩০০ ত্রাণবাহী ট্রাক প্রবেশের অনুমতি দিলেও এই অঞ্চলের জন্য প্রতিদিন ৬০০ ট্রাক সরবরাহ প্রয়োজন।

সংবাদসূত্রঃ বিবিসি

 

খুলে দেওয়া হলো নাফাকুমসহ দেশের ৪ পর্যটন কেন্দ্র
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
আ.লীগ-ছাত্রলীগকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ, দুই ইউএনও কার্যা…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
ছেলে-মেয়েকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হাওরে ফেলে হত্যা করলেন বাবা— দ…
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
রাত ১টার মধ্যে মধ্যে ৬ অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে রুশ নাগরিকের মৃত্যু
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
গাঁজা খেয়ে ককপিটে পাইলট, কী ঘটেছিল যাত্রীদের সঙ্গে?
  • ১২ আগস্ট ২০২৬