ভাতা পাবেন আরও ২০০ ক্রীড়াবিদ, আন্তর্জাতিক মানের প্যারা টুর্নামেন্টের পরিকল্পনা

০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০০ PM , আপডেট: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৩:০১ PM
কথা বলছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক

কথা বলছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক © সংগৃহীত

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে আনতে দ্রুত সময়ের মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে আন্তর্জাতিক মানের একটি প্যারা ক্রীড়া প্রতিযোগিতা আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে আগামী এক মাসের মধ্যে আরও ২০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া ভাতার আওতায় আনার পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। তিনি বলেছেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সমাজের বোঝা নয়, বরং দেশের জন্য সম্ভাবনাময় সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) জাতীয় স্টেডিয়ামে এশিয়ান প্যারা গেমস ট্রেনিং ক্যাম্প ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক মো. আমিনুল হক।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের নিয়ে একটি জাতীয় পর্যায়ের আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা আয়োজনের নীতিগত সম্মতি দিয়েছেন এবং সুযোগ হলে নিজেই সেই প্রতিযোগিতার উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবেন। 

তিনি বলেন, ‘যে সন্তানকে অনেক পরিবার লজ্জার কারণে আড়ালে রাখে, সেই সন্তানই একদিন অলিম্পিক, এশিয়ান গেমস বা প্যারা গেমসে বাংলাদেশের জন্য পদক এনে দিতে পারে। তাই তাদের নিয়ে লজ্জা নয়, গর্ব করার সময় এসেছে।’

তিনি জানান, বর্তমানে ৩০০ জন ক্রীড়াবিদ নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা পাচ্ছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে আরও ২০০ জনকে এই কর্মসূচির আওতায় এনে মোট ৫০০ জন ক্রীড়াবিদকে ভাতা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এশিয়ান প্যারা গেমসসহ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক বা উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জনকারী নতুন ক্রীড়াবিদদেরও পর্যায়ক্রমে ক্রীড়া ভাতার অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

আমিনুল হক বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের শুধু প্রতিযোগিতার আগে নয়, সারা বছর নিয়মিত প্রশিক্ষণের আওতায় রাখা হবে। তাদের আন্তর্জাতিক মানে গড়ে তুলতে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ, সুযোগ-সুবিধা ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, মিরপুর স্টেডিয়াম এলাকাকে একটি পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস হাব হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। একই সঙ্গে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের জন্য একটি আধুনিক ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণের বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, রাজধানীকেন্দ্রিক কার্যক্রমের বাইরে দেশের ৬৪ জেলায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রীড়াবিদদের খুঁজে বের করে তাদের নিয়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হবে। এ লক্ষ্যে ‘নতুন কুঁড়ি প্যারা স্পোর্টস’ নামে জাতীয় পর্যায়ের একটি প্রতিভা অন্বেষণমূলক প্রতিযোগিতা আয়োজনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

তিনি ক্রীড়াবিদদের উদ্দেশে বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা থাকবে। আমাদের একটাই প্রত্যাশা—আপনারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের জন্য পদক এনে দেবেন।’

পুলিশ সদস্যকে থাপ্পড় দেওয়ার ঘটনায় সাবেক ছাত্রদল নেতা নয়ন গ্…
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি প্যারোলে বেরিয়ে হলেন সরকারি শিক…
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর একগুচ্ছ নির্দেশনা
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
‎রুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
অবৈধ স্লিপার বাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
শিক্ষকদের আগস্ট মাসের বেতনের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে যাবে চলতি…
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬