প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস © ফাইল ছবি
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) থেকে শুরু হয়েছে লোডশেডিং। সারাদেশে নির্ধারিত সময়ে বিদ্যুৎবিহীন থাকতে হচ্ছে মানুষের। সংকট মোকাবিলায় আরও সমাধানের পথ খুঁজছে সরকার। এ পরিস্থিতিতে অফিস সময় কমানো হবে কিনা তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে।
সংকট বাড়লে সাশ্রয়ী হওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে মন্ত্রিপাড়া ও সংসদ এলাকায় লোডশেডিং করা হবে। সংকট একেবারেই নেই, এ কথা বলা ঠিক না। সেজন্যই পদক্ষেপগুলো নেওয়া হচ্ছে।
আরো পড়ুন: বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার পরামর্শ ইউজিসির
গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসলে জরুরি সেবা, অতি গুরুত্বপূর্ণ (ভিভিআইপি) ছাড়া সবখানেই লোডশেডিং হবে। জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের একক গাড়ি ব্যবহার বন্ধে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। অফিস সময় কমাতে গিয়ে কাজের ব্যঘাত হবে কিনা তাও ভাবাচ্ছে। অফিস সময় কমানো নিয়ে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
মূখ্য সচিব বলেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও সংকট দুই-তিন মাস পর থাকবে না। সংকট দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার কারণ দেখি না। তিনটি বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হবে। রিজার্ভ নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ্র খাদ্য সরবরাহ পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণেই। উদ্বিগ্ন না হয়ে সাহসের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা আছে।