আমাদের গালভরা বুলি সমৃদ্ধ মিউজিক ইন্ডাষ্ট্রী এদের চেনেই না

০৯ এপ্রিল ২০২২, ০৭:২৯ PM
আসিফ আকবরের সাথে কিশোর শিল্পীরা

আসিফ আকবরের সাথে কিশোর শিল্পীরা © সংগৃহীত

এই ছবিটায় বাম দিক থেকে আছে জিশান খান শুভ, হাসান শামস ইকবাল, আলভী আল বেরুনী, আমার বাঁয়ে মাহতিম সাকিব, শামজ আর শেখ সাদী। এরা আমার দুই ছেলের সমবয়সী। তারা পড়াশোনার পাশাপাশি মিউজিক কম্পোজিশানের বিভিন্ন শাখায় জড়িত। এদের হাতে শোভা পাচ্ছে ইউটিউবের সিলভার ও গোল্ড প্লে বাটন।

এই বয়সেই ছেলেরা ভার্চূয়াল ওয়ার্ল্ডের বিভিন্ন প্লাটফর্মে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়ে স্বীকৃতি আদায় করে নিয়েছে। কোনরকম একাডেমিক বা রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই তাদের সফল পদচারনা চলছে ইউটিউবে। এরা সবাই বাংলা ভাষায় গান করে। আমাদের গালভরা বুলি সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক মিউজিক ইন্ডাষ্ট্রী এদের চেনেই না। দেশবিদেশে এদের আছে কোটি ফ্যান, কিশোর কিংবা উঠতি বয়সী যুবাদের মাঝে তারা ব্যাপক জনপ্রিয়।

আরও পড়ুন: নিয়ম ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মান উন্নত করা সম্ভব না

ক্যারিয়ারের শুরু থেকে আমি সিনিয়রদের সান্নিধ্য পেয়েছি বিভিন্ন এঙ্গেলে, ভাল খারাপ সবধরনের অভিজ্ঞতাই আছে। সেই আলোকে আমি তরুনদের সাথেই মার্চ করেছি নিয়মিত। তাদের মধ্যে পারষ্পারিক বোঝাপড়া যেন গড়ে উঠে সেই চেষ্টা এখনো করে যাচ্ছি। আমার উঠতি সময়ে প্রতিদ্বন্দী ছিলেন মনির খান ভাই আর এসডি রুবেল ভাই, আমরা নিজেদের মধ্যে কোন ক্লেশে জড়িত না হয়ে ভাইয়ের মত সম্পর্ক নিয়ে একসাথে কাজ করেছি।

আমাদের আগের জেনারেশনে এই সুসম্পর্কগুলোর কোন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়না। ইন্ডাষ্ট্রীর ইতিহাসবিদদের জিজ্ঞাসা করলেই পাওয়া যাবে সব তথ্য। যে কারনে গত পঞ্চাশ বছরেও সঙ্গীতে কোন ঐক্য গড়ে ওঠেনি। এখন হালুয়া রুটির ভাগ আর রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তির কালচার চলছে, ঐক্যের দৌড়ঝাঁপ শুধু পত্রিকা আর ফেসবুকের ভিতরেই আবদ্ধ।

প্রতি,
মহাত্মন…
নতুন প্রজন্মকে নিয়ে আপনার মন্তব্য প্রয়োজন নেই। আসলে সমালোচনা আর ব্রাহ্মণ্যবাদী আচরন ছাড়া কোন কাজও আপনার নেই। এই ছেলেগুলো অবশ্য তাদের ভাবনার রাজত্বে নিজস্বতাকেই প্রাধান্য দেয়। এদের মধ্যে আছে অদ্ভূত রকমের বোঝাপড়া। ভার্চূয়াল ওয়ার্ল্ডে যে অর্জন আমার দুই যুগের ক্যারিয়ার আর পঞ্চাশ বছর বয়সে, সেখানে তারাও পৌঁছে গেছে ইতিমধ্যেই। সময়কে সঙ্গী করে আরো এগিয়ে যাক এই প্রজন্ম। আমি নিজেও তাদের সাথে দাঁড়াতে পেরে অনেক আনন্দিত। নিজেকে মনে হচ্ছে ওদের সমসাময়িক এক কলিগ, কোন জেনারেশন গ্যাপ নেই। এরাই হচ্ছে অদম্য বাংলাদেশ। অতিরিক্ত জ্ঞানের জাবর না কেটে এদের পাশে থেকে আনন্দিত হউন, ওরা উৎসাহ পাবে। পৃথিবীর আনন্দ সফলদের জন্য, ব্যর্থরা খেলবে শুধু বাংলাদেশের জাতীয় খেলা-কাবাডি। অদম্য তারুন্যের জয়গান চলুক উদাত্ত চিত্তে, তোমাদের জন্য শুভকামনা। ধন্যবাদ প্রিয় জুয়েল মোর্শেদ ব্রাদার, আপনি অসাধারন।
ভালবাসা অবিরাম…

ট্যাগ: সংগীত
রান্নার সময় গরুর মাংসের রং সবুজ, কারণ জানাল নিরাপদ খাদ্য কর…
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
শেষ ওভারের নাটকীয়তায় অনূর্ধ্ব-১৯ দলের টানা দ্বিতীয় জয়
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
৯০০ শিক্ষার্থীকে বাঁচিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন সেই প্রধান শিক্ষক
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
এসএসসির অকৃতকার্যদের জন্য বিশেষ পলিসি করবে সরকার, উদ্যোক্তা…
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
মোংলা ইপিজেড মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসক-নার্স নিয়োগে বিজ্ঞপ্ত…
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬
ডেটা সুরক্ষায় ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গড়তে রবি’র ‘প্রাইভেসি অ্যাভেঞ…
  • ৩০ আগস্ট ২০২৬