ফরিদপুরে বিএনপি নেতা
বিএনপির ফরিদপুর জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের লোগো © সংগৃহীত ও সম্পাদিত
ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে (ফমেক) জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজনীতি করতে না পারলে মেডিকেল কলেজ বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় এক বিএনপি নেতা। গতকাল রবিবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে কলেজ অডিটোরিয়ামে বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন তিনি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় এই সভার আয়োজন করা হয়।
দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক জুলফিকার হোসেন জুয়েল বলেন, ১২ তারিখ (১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচন) পর্যন্ত আমরা দেখতে চাই। ১২ তারিখের পরে যদি আমাদের এখানে সশরীর উপস্থিত হয়ে, এখানে স্বাভাবিক রাজনীতির চর্চা করতে দেওয়া না হয়, তাহলে কিন্তু ভয়ানক পরিস্থিতি হবে। আমার জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল যদি রাজনীতি করতে না পারে, এই ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে রাজনীতি বন্ধ করে দেব। ছাত্ররাজনীতি যদি বন্ধ হয়ে যায়, এই মেডিকেল কলেজ বন্ধ হয়ে যাবে।
তিনি আরও বলেন, মেডিকেলে রাজাকারের আশীর্বাদের রাজনীতি হবে আর মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার, সংগঠক জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল রাজনীতি করতে পারবে না, এটা হইতে পারবে না, এটা হইতে দেব না। প্রয়োজনে বিএনপির রাজনীতি ছেড়ে আবার ছাত্রদলে যোগ দেব। আলামত কিন্তু ভালো না।
জেলা বিএনপি নেতা জুলফিকার হোসেন জুয়েলের এমন বক্তব্য দেওয়ার সময় ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডা. খান মো. আরিফ উপস্থিত ছিলেন। ড্যাব ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আহ্বায়ক সৈয়দ আসিফ উল আলম। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ড্যাবের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ মেহেদী হাসান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন ব্যবসায়ী ফারিয়ান ইউসুফ, ড্যাব ফরিদপুর জেলার আহ্বায়ক মুস্তাফিজুর রহমান, সদস্যসচিব তানসিভ জুবায়ের। এ ছাড়া ড্যাবের কেন্দ্রীয় সভাপতি হারুন আল রশিদ অনলাইনে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন।
ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২৪ আগস্ট কলেজটির একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এর পর থেকে এ কলেজে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ রয়েছে।