এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় সাইফুরের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ৩ জনের

১৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩৭ PM
এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা © টিডিসি ফটো

সিলেটের মুরারী চাঁদ (এমসি) কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা সবাই ছাত্রলীগের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।

রায়ে আসামি সাইফুর রহমানকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। এছাড়া শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম রনি ও অর্জুন লস্করকে যাবজ্জীবন  কারাদণ্ড দেন। বাকি ৪ আসামি আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ও মাহফুজুর রহমানকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

এর আগে সকালে কড়া নিরপাত্তায় আসামিদের আদলতে হাজির করা হয়। চাঞ্চল্যকর এ মামলার আসামিরা সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান ওরফে রনি, তারেকুল ইসলাম ওরফে তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল, মিসবাউল ইসলাম ওরফে রাজন, রবিউল ও মাহফুজুর রহমানসহ সবাই ছাত্রলীগের টিলাগড়কেন্দ্রিক রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলাটি নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনাল থেকে গত বছরের মে মাসে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর হয়ে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। মামলায় ২৪ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে গৃহবধূ, তাঁর স্বামী, আসামিদের স্বীকারোক্তি নেওয়া ম্যাজিস্ট্রেট, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, এমসি কলেজের অধ্যাপক, ওসমানী হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক রয়েছেন। 

আরও পড়ুন: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে রাজধানীর সড়কে শিক্ষার্থীরা, যান চলাচল বন্ধ

সাক্ষ্য গ্রহণকালে বাদীর সাক্ষ্য নিয়ে কিছুটা অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ। ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে আটকে রেখে এক গৃহবধূকে (২০) দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্বামী শাহপরান থানায় ছয়জনের নাম উল্লেখ করে এবং দুজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা করেন। 

ঘটনার পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও তিন দিনের মধ্যে পুলিশ ও র‍্যাব অভিযান চালিয়ে ছয়জন নাম উল্লেখিত ও সন্দেহভাজন দুজনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। ডিএনএ পরীক্ষায় আট আসামির মধ্যে ছয়জনের সঙ্গে ধর্ষণের আলামতের মিল পাওয়া যায়। 

২০২১ সালের ৩ ডিসেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, শাহপরান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

‘গাঁজা-বাবা কি তোর বাপের টাকায় খাই’— বলেই ছাত্রদল সভাপতিকে…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
চমেকের ইন্টার্ন চিকিৎসকের সমকামিতার তথ্য প্রকাশ্যে, বয়কটের …
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
নারী সহকর্মীর ঘর থেকে বস্ত্রহীন অবস্থায় যুবদল সভাপতি আটক, ভ…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
শেখ হাসিনা বেঁচে আছেন, নাকি মারা গেছেন—প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
ভিডিও কলে পলিটিক্স না করে অফলাইনে আসেন—নুরকে কেন এ কথা বললে…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬
চাকরির কথা বলে তরুণীদের আটকে রেখে পর্নোগ্রাফি তৈরি, স্বামী-…
  • ০৭ আগস্ট ২০২৬